গাজ্জায় দখলদার অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের হামলায় আরও অন্তত ৫ ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন। এসব হামলায় আহত হয়েছেন আরও ১২ জনের বেশি।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) গাজ্জার বিভিন্ন এলাকায় এসব হামলা চালানো হয়। স্থানীয় ও চিকিৎসা সূত্র জানিয়েছে, গাজ্জা সিটির তাল আল-হাওয়া এলাকায় একটি বেসামরিক গাড়িতে ইসরাইলি ড্রোন হামলায় দুই ফিলিস্তিনি শহীদ ও তিনজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর।
আল-তাওয়াম এলাকায় বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের একটি তাঁবুতে ইসরাইলি হামলায় মুহাম্মাদ রাজাব ওয়ারশ আগা আহত হন। পরে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় শহীদ হন। আমের প্রজেক্ট এলাকায় একটি তাঁবুতে ইসরাইলি গোলাবর্ষণে ৩০ বছর বয়সী আহলাম মুবারক শহীদ হন। এ ঘটনায় তার স্বামী ও দুই সন্তান আহত হয়েছেন। তার স্বামীর অবস্থা গুরুতর।
গাজ্জা সিটির একটি গাড়িতে প্রায় এক সপ্তাহ আগে চালানো ইসরাইলি বিমান হামলায় আহত আহমাদ খামিস আবু নাজাও পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শহীদ হন।
এদিকে গাজ্জা সিটির উপকূলীয় এলাকায় ইসরাইলি নৌবাহিনী থেকে গোলাবর্ষণ এবং আল-সুদানিয়া এলাকায় কামান হামলার খবর পাওয়া গেছে। রাফাহর আল-মাওয়াসি এলাকায় একটি বাড়িতে ইসরাইলি গোলাবর্ষণে আরও সাতজন আহত হয়েছেন।
খান ইউনিসের উত্তর-পূর্বাঞ্চলেও ইসরাইলি বাহিনী ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। বানি সুহাইলা গোলচত্বরের কাছে ছোড়া ধোঁয়া বোমার কারণে কয়েকটি বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের তাঁবুতে আগুন ধরে যায়।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ইসরাইলি হামলা ও লঙ্ঘনে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৪৬৭ ফিলিস্তিনি শহীদ এবং ৫ হাজার ১৬১ জন আহত হয়েছেন। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজ্জায় ইসরাইলি হামলায় ৭৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি। এ সময়ে গাজ্জার প্রায় ৯০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়











