সিলেটের গোয়াইনঘাটে পণ্যবাহী গাড়ি আটকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে ছাত্রদলের আট নেতাকর্মীকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে সিলেট জেলা ছাত্রদল। তাদের আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগ তদন্তে জেলা ছাত্রদলের দুই নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিলেট জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জুবের আহমদ জুবের।
শোকজ পাওয়া নেতাকর্মীরা হলেন গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি নাজিম উদ্দীন, সিনিয়র সহসভাপতি জামাল উদ্দিন, সহসভাপতি বেলাল আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক তোফায়েল আহমেদ হেলু, সহসাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম রব্বানী এবং ইউনিয়ন শাখার নেতা নাজমুল ইসলাম মান্না, শাহরিয়াদ আহমদ ও নাজমুল হাসান নাঈম।
স্থানীয় সূত্র ও জেলা ছাত্রদলের বিজ্ঞপ্তির বরাতে জানা যায়, সিলেট-তামাবিল সড়কে চলাচলকারী পণ্যবাহী গাড়ি ফতেহপুর ইউনিয়নে থামিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ ওঠে। এ-সংক্রান্ত কিছু হোয়াটসঅ্যাপ কথোপকথন, স্ক্রিনশট ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি জেলা ছাত্রদলের নজরে আসে।
জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জুবের আহমদ জুবের বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এসেছে। তারা দলের শৃঙ্খলা পরিপন্থি ও অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে। বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে জেলা পর্যায়ের দুই নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অভিযুক্তদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা ছাত্রদল জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব পাওয়ার পর অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তী সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।











