spot_img
spot_img

প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতে ইসলামের মর্মবাণী তুলে ধরে নসীহাহ দেওয়া হয়েছে: মুফতী হারুন ইজহার

প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ শুধু সৌজন্যতা ও ফটোসেশনে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং সেখানে বাস্তব বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুফতী হারুন ইজহার।

তিনি জানান, সাক্ষাতে ইসলামের আকীদাহ ও ইতিহাসের বই উপহার দেওয়ার পাশাপাশি সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, দেশের আর্থিক সংকট, জেল সংস্কার ও একটি স্থিতিশীল রাষ্ট্রব্যবস্থা টেকসই করার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে এসব কথা জানান হারুন ইজহার।

মুফতী হারুন ইজহার বলেন, ডেলিগেশনটি আরও বৃহৎ ও গাম্ভীর্যপূর্ণ হওয়া কাম্য ছিল। তবে বৈঠকটি অর্থবহ ছিল এবং স্মার্ট প্রস্তাবনাগুলোকে রাষ্ট্র গুরুত্ব দিয়েছে। সাক্ষাৎটি শুধু সৌজন্যতা আর ফটোসেশানে সীমিত ছিল না। ছিল বাস্তব আলাপ।

বৈঠকের মূল ফ্লেভার দাওয়াতি ছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, আনুষ্ঠানিক বৈঠকের আগেই ইসলামের আকীদাহ ও ইতিহাসের বইগুলো উপহার দেওয়া হয়। বিতর্কিত কিছু বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করে ইসলামের মর্মবাণী তুলে ধরে নসীহাহ দেওয়া হয়।

মুফতী হারুন ইজহার বলেন, শুরুতে আত্মমর্যাদার সাথে জানিয়ে দেয়া হয়, কোনো চাহিদা বা ডিমান্ড নিয়ে আসা হয়নি।

সদ্য পাস হওয়া সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের বিষয়ে ১০ পৃষ্ঠার একটি প্রতিবেদনের কপি অনানুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়ে প্রেসিডেন্ট আইন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দিয়েছেন।

দেশের আর্থিক সংকট মোকাবিলায় আলেম সমাজের দক্ষ জনবলের কনট্রিবিউশনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু প্রস্তাব তুলে ধরা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, যেহেতু রাষ্ট্র প্রধান নিজেই জেলে গিয়েছেন, সেটা স্মরণ করিয়ে দিয়ে, জেলের সংস্কারের প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। আইন ও অধিকার এবং নৈতিক মোটিভেশানের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এবং এ বিষয়ে আলেমদের সেবার আগ্রহের কথা জানানো হয়।

আলেমদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর নিকট ভিজিটের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি। এর উদ্দেশ্য ছিল সুহবত।

একটি স্থিতিশীল ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা কীভাবে সাসটেইনেবল হয়, সে বিষয়ে তাগিদ দেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে মুফতী হারুন ইজহার বলেন, দাওয়াহ একটি দীর্ঘমেয়াদি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এতে ইতমামে হুজ্জাহর পাশাপাশি প্রয়োজন আপসহীনতা ও যোগাযোগের যুগপৎ সমন্বয়।

তিনি আরও বলেন, ইসলামের মূলধারা আনুষ্ঠানিকতা ও প্রাতিষ্ঠানিকতামুখী না হয়ে নিরেট দাওয়াতমুখী হলে এলিট-শ্রেণী আরও আগেই সাব-কনশাস রিদ্দাহ থেকে মুক্ত হতো।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ