ইরান সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বাহিনী সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় মোট ছয়টি হামলা চালানোর দাবি করেছে। তেহরানে সৌদি ও ইরানের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বিরল বৈঠকের পর দুই পক্ষ সংলাপের মাধ্যমে আঞ্চলিক মতপার্থক্য নিরসনে সম্মত হলেও হুথিদের পক্ষ থেকে এসব হামলার দাবি করা হলো।
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান ওই বৈঠকে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি পাঠিয়েছিল। বৈঠকের পর ইতিবাচক বক্তব্য এলেও হুথি বাহিনী সৌদি আরব এবং ইয়েমেনে সৌদি সমর্থিত বাহিনীর ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
হুথি মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলেন, এসব হামলার লক্ষ্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও সামরিক অবকাঠামো। এসব স্থাপনা সৌদি আরবের পূর্ব ও পশ্চিম উপকূল থেকে রাজধানী রিয়াদ এবং দক্ষিণাঞ্চলীয় নাজরান পর্যন্ত বিস্তৃত।
সারির বিবৃতি অনুযায়ী, হুথিরা রাস তানুরা তেল শোধনাগার লক্ষ্য করে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, আবকাইক এলাকায় আরামকোর একটি স্থাপনা লক্ষ্য করে একটি ক্ষেপণাস্ত্র এবং রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।
এছাড়া দাম্মামের কিং ফাহদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে একটি ড্রোন, রাবিগ তেল শোধনাগার লক্ষ্য করে একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং নাজরান অঞ্চলে সৌদি সামরিক বাহিনীর একটি সদর দপ্তর লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
তবে হুথিদের এসব দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
এর আগে বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেনি সরকার একটি বিবৃতি দিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি হুথিদের আদেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা বন্ধ করতে “নিরোধমূলক ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা” নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
সূত্র : আল-জাজিরা











