ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় দখলদার ইহুদীদের সন্ত্রাসবাদী অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইল বাহিনীর বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে।
সপ্তম দিনের মতো আজও হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইল।
এর প্রতিবাদে শনিবার জার্মানিজুড়ে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজধানী বার্লিনসহ ফ্রাঙ্কফুর্ট, লাইপজিগ, স্টুটগ্রার্ট, মিউনিখ, হামবুর্গ, কোলন, হ্যানোভার ও হিল্ডেসহাইম শহরে কয়েক হাজার মানুষ এই প্রতিবাদ সমাবেশে যোগ দেন।
এ ছাড়া ইউরোপের অনান্য দেশেও ইসরায়েলি হামলার বিরুদ্ধে বড় বড় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার জার্মানির রাজধানী বার্লিনে ইসরাইলি আগ্রাসনবিরোধী তিনটি সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভকারীরা ইসরাইলি হামলার বিরুদ্ধে ও ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে স্লোগান দেন এবং পোস্টার বহন করেন। গতকাল জার্মানির বিভিন্ন শহরে এই বিক্ষোভে অসংখ্য মানুষ রাস্তায় নামেন।
বার্লিনে নয়েকোলন অঞ্চলে সোনেএ্যলি এলাকায় গতকাল বিকেল থেকে কয়েক ঘণ্টা ধরে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ চলে। পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ চলাকালে বিক্ষোভকারীরা ‘আল্লাহু আকবার’ এবং ‘শিশু হত্যাকারী ইসরাইল’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন।
বার্লিনে শনিবার বিক্ষোভ কর্মসূচি যাতে শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়, সে জন্য প্রশাসন ৩ হাজার ৬০০ পুলিশ রাস্তায় নামায়। বার্লিনের বিক্ষোভ সমাবেশে প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষ অংশ নেন।
গতকাল ফ্রাঙ্কফুর্টে মুক্ত ফিলিস্তিনের জন্য প্রায় আড়াই হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেন।
ফিলিস্তিনিদের পতাকা হাতে এবং ‘ফিলিস্তিনের জন্য স্বাধীনতা’ এবং ‘গণহত্যা বন্ধ করুন’, স্লোগান দিয়ে কোলোন শহরের রাস্তায় চার শ মানুষ বিক্ষোভ করেন।
হ্যানোভার শহরেও গতকাল ফিলিস্তিনি জনগণের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে তিন শ বিক্ষোভকারী রাস্তায় নামেন।
গত সপ্তাহ থেকে ইসরাইল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে সংঘর্ষের শুরু হওয়ার পর থেকে পশ্চিমা দেশগুলোর নীরবতা বা পরোক্ষভাবে ফিলিস্তিনের হামাস ও ইসলামিক জিহাদ গ্রুপগুলোকে দায়ী করছে। পশ্চিমা সংবাদ মাধ্যমগুলোও ফিলিস্তিনি গ্রুপগুলোকে এই সংঘর্ষের জন্য একপেশে সংবাদ প্রকাশ করছে।












