আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি অংশগ্রহণ করবে না শুনে উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নের দৌড়-ঝাঁপ বেড়ে গেছে।
শুক্রবার (৪ মে) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর উত্তরের সদস্য সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
ঢাকা-১৪, সিলেট-৩ এবং কুমিল্লা-৫ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থিতা বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, এবার মনোনয়ন পেতে ইচ্ছুক প্রার্থীর সংখ্যা অনেক। খুব একটা অসুবিধা নেই, এই কথা মনে করে অনেকেই আবার প্রার্থী হচ্ছেন। পায় আর, না পায় সবাই প্রার্থী হতে চায়। কারণ বিএনপি নেই শুনেছে। সেজন্য প্রার্থিতার দৌড়ও বেড়ে গেছে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, নেত্রীর সঙ্গে নির্দিষ্ট কোনও ব্যক্তির বিষয়ে আলোচনা হয়নি। সাধারণ একটি গাইডলাইন তিনি দিয়েছেন। সেটা হলো ‘আমি ত্যাগী ও পরীক্ষিত কাউকে মনোনয়ন দেবো। যারা জনগণের কাছে অধিকতর গ্রহণযোগ্য এবং দুঃসময়ে ছিলেন।’ এমন একটি ধারণা তিনি আমাকে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, এখানে গোয়েন্দা রিপোর্ট থাকবে। দলীয়ভাবেও রিপোর্ট নেওয়া হচ্ছে। নেত্রীরও নিজস্ব একটি টিম আছে। সেই টিম দিয়ে তিনি মাঠ পর্যায়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন। আশাকরি আমরা যথাযথ ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিতে পারবো।
আওয়ামী লীগে কর্মীর তুলনায় নেতা বেড়ে গেছে, এমন একটি লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কর্মী না বলে, এখানে বলা যায় আওয়ামী লীগে নেতা কমে গেছে। কারণ পরিচয় নাইতো। এই ঢাকা মহানগর উত্তরে ১৩০০-১৫০০ ইউনিট কমিটি রয়েছে। এখানে শুধু সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক করে থাকলে হবে না। নেতা না হলে নেতৃত্ব দেবে কেমনে। নেতৃত্ব সৃষ্টি হবে কর্মীদের থেকে।











