ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী রেজাউল করীম বলেছেন, গতকাল প্রথম দফায় ইউপি নির্বাচনে ২০৪ টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হয়েছে। ক্ষমতাসীনদের অতীত স্বভাবের প্রতিফলনে এই নির্বাচনেও কেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনিয়ে নেওয়া, ভোটদানে বাঁধা, এজেন্ট বের করে দেওয়া ও সশস্ত্র মাস্তানির মহড়া দিয়ে নির্বাচন ব্যবস্থাকে আরও একবার কলঙ্কিত করলো আওয়ামী লীগ। মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগে ক্রমাগতই এই বাঁধা আওয়ামী লীগকে জনতার শত্রুতে পরিণত করেছে।
আজ (২২ জুন) এক নির্বাচনোত্তর পর্যালোচনায় চরমোনাই পীর এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্লজ্জ দালালি, নগ্ন পক্ষপাত দুষ্ট আচরণ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে প্রমাণিত অক্ষমতা সত্বেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রথম দফার নির্বাচনের ২০৪ ইউনিয়নেই প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে হুমকি-ধমকি, মনোনয়ন জমাদানে বাঁধা ও অব্যাহত ত্রাস অতিক্রম করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১৪০ ইউপিতে নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশগ্রহণ করেছে।
মুফতী রেজাউল করীম বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ প্রচারণা ও জনতার ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে বারংবার নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছি। তারপরেও গতকাল যা হয়েছে তা এই সরকারের পূর্বতন নোংরামির পুনরাবৃত্তি। শক্তি প্রয়োগ করে আক্ষরিক অর্থেই ভোট ডাকাতি করা হয়েছে।
চরমোনাই পীর বলেন, আমরা এই নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করছি এবং এই ভোট ডাকাতির তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। সেই সাথে বিভিন্ন ইউনিয়নে যারা হাতপাখা মার্কায় ভোট দিয়েছেন, বা ভোট দেয়ার নিয়ত করেছিলেন এবং যারা হাতপাখার পক্ষে কাজ করেছেন তাদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও মোবারকবাদ জানাচ্ছি। ইসলামের পক্ষে আপনাদের এই অবস্থান দুনিয়া ও আখেরাতে আপনাদের কল্যাণের উসিলা হবে ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, বিশেষ করে জাগুয়া ইউনিয়ন বাসিকে ধন্যবাদ ও মোবারকবাদ জানাচ্ছি। শত বাধা উপেক্ষা করেও যেভাবে আপনারা ইসলামের পক্ষের প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়েছেন এবং বিজয় ছিনিয়ে এনেছেন তা ইতিহাসে অমর হয়ে থাকবে। ইসলাম ও জনতার আগামীর বিজয়ে আপনারা আলোকবর্তিকা হয়ে থাকবেন। আল্লাহ আপনাদের সর্বাঙ্গীণ কল্যাণ দান করুন এই প্রার্থনা করছি।











