spot_img

যুবসমাজকে বিবেকমান মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মুহাম্মাদ আবদুল হামিদ বলেছেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার বৃহৎ অংশই যুবসমাজ। আগামী ২০৪৩ সাল পর্যন্ত যুবসমাজের সংখ্যাগত আধিক্যের এ ধারা অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশকে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ২০৩০ অর্জন করতে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে সুখী-সমৃদ্ধ, উন্নত দেশে উন্নীত করতে এ জনমিতিক সুবিধাকে কাজে লাগাতে হবে। এক্ষেত্রে যুবসমাজের জন্য অংশগ্রহণমূলক, শান্তিপূর্ণ, ন্যায়সঙ্গত ও উদ্ভাবনী উন্নয়ন নিশ্চিত করার বিকল্প নেই। যুবসমাজকে কর্মবিমুখতা, কুসংস্কার, মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ থেকে দূরে রেখে দক্ষ, আধুনিক, বিজ্ঞানমনস্ক, পরমতসহিষ্ণু, উদার ও নৈতিকতাসম্পন্ন বিবেকবান মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

সোমবার (১ নভেম্বর) ‘জাতীয় যুবদিবস’ উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের সব আন্দোলন-সংগ্রাম ও অগ্রগতির পথে এ দেশের যুবসমাজের রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা। মহান ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধীনতা সংগ্রামসহ এদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় যুবারা যেমন জীবন উৎসর্গ করতে কার্পণ্য করেনি, তেমনি অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রামেও তারা নিরলসভাবে ব্যাপৃত।

তিনি বলেন, ‘দক্ষ যুব সমৃদ্ধ দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ‘জাতীয় যুবদিবস ২০২১’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর এই শুভক্ষণে আমি দেশের তারুণ্যদীপ্ত যুবসমাজকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

আবদুল হামিদ বলেন, দেশ গড়ার হাতিয়ার যুবদের শানিত করার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। যুবাদের জন্য গৃহীত কার্যক্রমের মধ্যে উদ্বুদ্ধকরণ, প্রশিক্ষণ, ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ, আত্মকর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা তৈরি ও যুব সংগঠন নিবন্ধন বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য। সরকারের গৃহীত যুব উন্নয়ন সম্পর্কিত কর্মকাণ্ড সমগ্র যুবশক্তিকে আধুনিক জীবনমনস্ক মানবসম্পদে পরিণত করছে। যুব সম্প্রদায়কে এসব সুযোগ কাজে লগিয়ে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্নপূরণে দেশপ্রেম, কর্মে একাগ্রতা, সাহস ও সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ