মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ঘিরে সক্রিয় কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলা এবং তেহরানের পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণের প্রেক্ষাপটে তিনি একাধিক বিশ্বনেতার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন।
তুরস্কের প্রেসিডেন্সির যোগাযোগ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এরদোগান ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন, কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি এবং কুয়েতের আমিরসহ উপসাগরীয় নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর সঙ্গেও ফোনালাপ করেন।
ভন ডার লেয়েনের সঙ্গে আলোচনায় এরদোগান সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শন ও কূটনৈতিক সংলাপে ফিরে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় তুরস্ক সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত। এ ক্ষেত্রে তুরস্ক ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় জরুরি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এরদোগান যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলাকে ইরানের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। একই সঙ্গে তিনি ইরানের পাল্টা ড্রোন ও মিসাইল হামলাকে, বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার ঘটনাকে, অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেন।
তিনি সতর্ক করে বলেন, সংযম ও কূটনীতির অভাব পুরো অঞ্চলকে “আগুনের চক্রে” ঠেলে দিতে পারে, যা বৃহত্তর সংঘাতে রূপ নিতে পারে। এ প্রেক্ষাপটে তুরস্ককে সম্ভাব্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উপস্থাপন করে এরদোগান জানান, আঙ্কারা উত্তেজনা প্রশমনে এবং টেকসই সমাধান খুঁজে পেতে গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত।











