জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত “জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর” দীর্ঘদিন বন্ধ রাখার ঘটনায় সাধারণ আলেম সমাজ গভীর ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।
রোববার (৫ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত “শহীদ পরিবারের আর্তনাদ ও সংবাদ সম্মেলনে” এ প্রতিবাদ জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলন থেকে তারা জানান, আগামী ১৪ এপ্রিলের মধ্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর জনসাধারণের জন্য খুলে দিতে হবে। অন্যথায় শহীদ পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর ও সর্বাত্মক আন্দোলন গড়ে তোলা হবে, যার দায় সম্পূর্ণরূপে সরকারের ওপর বর্তাবে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের স্পষ্ট অনীহা ও উদাসীনতার কারণেই জাদুঘরটি এখনও চালু হয়নি। তারা অভিযোগ করেন, সংস্কৃতিমন্ত্রী দেশের নিজস্ব সংগ্রামের ইতিহাস উপেক্ষা করে ভিন্ন দেশের সংস্কৃতি আমদানিতে বেশি আগ্রহী, যা জাতির আত্মপরিচয়ের পরিপন্থী।
তারা বলেন, জুলাই গণহত্যা মামলার আসামি এবং যুবলীগ-সম্পৃক্ত সচিব আলাউদ্দিন আমলাতান্ত্রিক জটিলতার দোহাই দিয়ে পরিকল্পিতভাবে জাদুঘরটি চালু হতে দিচ্ছেন না। একজন আসামির হাতে শহীদদের স্মৃতির ভবিষ্যৎ জিম্মি হয়ে আছে, যা রাষ্ট্রের জন্য চরম লজ্জাজনক।
তারা আরও বলেন, এই জাদুঘর শুধু একটি ভবন নয়, এটি শহীদদের স্মৃতির আশ্রয়স্থল। শহীদ পরিবারের সদস্যরা তাদের প্রিয়জনদের শেষ স্মৃতিচিহ্ন বিশ্বাস করে এখানে জমা দিয়েছেন। অথচ সেই স্মৃতিগুলোকে অন্ধকারে বন্দি করে রাখা হয়েছে। এটি শহীদদের প্রতি অবমাননা এবং পরিবারগুলোর সঙ্গে নির্মম উপহাস।











