দেশব্যাপী বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ভয়াবহ সংকটে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর ও চরমোনাই পীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল বলে দাবি করছে সরকার। সরকার নাকি বিদ্যুৎ রপ্তানি করেন, এখন দেশের জনগণ বিদ্যুৎ পায় না। মানুষ গরমে অতিষ্ঠ। বিদ্যুতের জন্য ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করতে পারছেন না। নতুন করে কোন কলকারখানা করতে পারছেন না। বিদ্যুতের বিল তো জনগণ ঠিকই দেয়। কিন্তু পায়রাতে (বিদ্যুৎকেন্দ্র) কয়লার যে বিল, সেটি ওনারা শোধ করেন না। কিন্তু হাকিকত হলো দেশব্যাপী বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ভয়াবহ সংকট চলছে। ফলে সবকিছু থুবড়ে পড়ছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে
সরকারের ব্যর্থতা, অদূরদর্শিতা ও দুর্নীতির কারণে আজ জনগণকে চূড়ান্ত ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়েছে। দেশব্যাপী বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ভয়াবহ সংকট সরকারের ভুল নীতি ও ভুল কৌশলের কারণে। যার মাশুল দিতে হচ্ছে এখন সাধারণ মানুষকে। ঢাকাসহ সারাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাসের সংকট মারাত্মক রূপ নিয়েছে। এভাবে একটি দেশ চলতে পারে না। এর আশু সমাধান প্রয়োজন।
আজ সোমবার (৪ জুন) এক বিবৃতিতে পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, বাজারের অসহনীয় পরিস্থিতির সঙ্গে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট মানুষকে সীমাহীন বিপদে ফেলে দিয়েছে। নিত্যপণ্যের আকাশচুম্বি মূল্যবৃদ্ধি, অপরদিকে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের ভয়াবহ সংকট জনগণকে চরম বিপদে ফেলেছে। সরকারের উন্নয়নের কথা এখন ফাঁকা বুলিতে পরিণত হয়েছে। জনদুর্ভোগ লাঘবে অবিলম্বে কার্যকরি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
মুফতী রেজাউল করীম বলেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতি-লুটপাট, লোডশেডিং ও নিত্যপণ্যের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। তিনি বলেন, দেশে ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয় লোডশেডিংয়ের কবলে পড়ে জনজীবন অতিষ্ঠ। কয়লার অভাবে আজ থেকে পায়রা বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। কুইক রেন্টালের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট হয়েছে। আমরা মনে করি দুর্নীতি-লুটপাটের কারণেই এই বিদ্যুৎ বিপর্যয়। এই দায় সরকার এড়াতে পারেন না। অবিলম্বে বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান চাই। এছাড়া বিদ্যুৎ বিভাগের দুর্নীতির তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক।










