spot_img
spot_img

সৌদি প্রতিরক্ষায় সহায়তা ও ইয়েমেন সংকট নিরসনে আলোচনা করছে তুরস্ক: হাকান ফিদান

সৌদি আরবের প্রতিরক্ষায় সম্ভাব্য সহায়তা এবং ইয়েমেনকে ঘিরে উত্তেজনা শান্তিপূর্ণ উপায়ে ও সংলাপের মাধ্যমে নিরসনে কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেছে তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানকে নিয়ে গঠিত মক্কা জোট।

সোমবার (৫ অক্টোবর) তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান এ তথ্য জানিয়েছেন।

রিয়াদে মক্কা জোটের কৌশলগত রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা কমিটির এক জরুরি বৈঠকের পর হাকান ফিদান বলেন, ইয়েমেন ও সৌদি আরবের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে এই বৈঠক আহ্বান করা হয়েছিল।

ফিদান বলেন, “সৌদি আরবের প্রতিরক্ষায় কী ধরনের সহায়তা দেওয়া যেতে পারে এবং অন্যদিকে বিষয়টি কীভাবে শান্তিপূর্ণভাবে ও সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করা যায়, তা নিয়ে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি।”

তিনি বলেন, সৌদি আরব বিষয়টি সমাধানে “খুবই গঠনমূলক অবস্থান” নিয়েছে। বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা রিয়াদের অবস্থান শোনার সুযোগ পেয়েছেন বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের কিছু মতামতও তুলে ধরেছি। প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান এই বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছেন এবং সেই অবস্থানের প্রতিফলন হিসেবে আমরা এখানে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

জোটের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠনের কাজ শেষ পর্যায়ে

ফিদান বলেন, জোট চুক্তিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার বিষয়ে আগে থেকেই নির্ধারিত একটি বৈঠকের পাশাপাশি এই জরুরি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। চলতি বছরের আগস্টে জোট চুক্তিটি সম্পন্ন হয়।

তিনি জানান, জোটের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠনের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। বৈঠকে সচিবালয়ের কাঠামো এবং নতুন মহাসচিব নিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

ফিদান বলেন, মহাসচিব পদে পাকিস্তানের প্রস্তাবিত একজন প্রার্থীকে বৈঠকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পরে নিশ্চিত করা হয়, পাকিস্তানের অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল নোমান মাহমুদ এই পদে নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি তিন বছরের মেয়াদে দায়িত্ব পালন করবেন।

বৈঠকে জোটের কারিগরি বিষয় এবং এর ভবিষ্যৎ প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নিয়েও আলোচনা করেন অংশগ্রহণকারীরা।

ফিদান জানান, তুরস্কের জাতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারাও বৈঠকে অংশ নেন। সামরিক, পরিচালনাগত ও কারিগরি বিষয় নিয়ে আলোচনায় তারা বিশেষভাবে অবদান রাখেন।

ফিদান আরও বলেন, আলোচনায় মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি সৌদি আরব ও ইয়েমেনকে ঘিরে বর্তমান পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

তিনি বৈঠকটিকে ফলপ্রসূ বলে উল্লেখ করেন।

নতুন এই জোট গঠনের চুক্তি ৭ আগস্ট স্বাক্ষরিত হয়। এরপর চুক্তিটিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে জোটের তিন সদস্য দেশ ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়।

সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ