সাম্প্রতিক সময়ে, গাজ্জা উপত্যকায় যুদ্ধ বিরতি ও বন্দী বিনিময় করতে ইসরাইলকে এক প্রকার বাধ্য করে ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। এতে ইসরাইলি কারাগার থেকে উল্লেখযোগ্য ফিলিস্তিনি বন্দি মুক্তি পায়। তবে এমন ভাবে যেন আর কোন বন্দি কারাগার থেকে মুক্ত না হতে পারে সেজন্য সকল বন্দীদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে বলে রীতিমতো বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন অবৈধ দেশটির ঐতিহ্য বিষয়ক মন্ত্রী আমিচাই ইলিয়াহু।
গত শুক্রবার জেরুসালেম শহরে ৩ জন ইসরাইলি নাগরিক নিহত হন। এদের পেছনে বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনি জড়িত রয়েছে বলে দাবি জানিয়ে ইলিয়াহু বলেন, “আমাদের দেশ আইন মেনে চলে, কিন্তু আমাদের উচিত তাদের কারাগারে রাখার বদলে ঈশ্বরের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া যেন কোন চুক্তির মাধ্যমে তারা মুক্তি না পেতে পারে।”
প্রসঙ্গত, গত মাসে ইসরাইলি কারাগারে ‘বন্দি ফিলিস্তিনিদের ফাসি কার্যকর’ করার বিষয়ে একটি খসড়া প্রস্তাব জমা দিয়েছেন নেসেটের উগ্রপন্থী সদস্য ইতামার বিন গাভির। তার ধারণা এই খসড়া প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেবে নেসেটের সকল সদস্যরা।
ফিলিস্তিনের স্থানীয় একটি এনজিওর মতে ইসরাইলি কারাগারে বর্তমানে ৭ হাজার ৮০০ ফিলিস্তিনি বন্দী রয়েছেন। যার মধ্যে ২ হাজার ৮৭৩ জনকে প্রশাসনিক আটক দেখানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত নির্বাচনের পূর্বে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার বিষয়টিকে সামনে নিয়ে আসেন ইসরাইলি নেসেটের উগ্রপন্থী সদস্য ইতামার বিন গাভির। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারের সাথে জোট গঠনের জন্য এই শর্ত প্রদান করেছিলেন তিনি।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর











