কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই হলের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে মধ্যরাতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ১০ জন আহত হয়েছে।
শুক্রবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১২টায় বঙ্গবন্ধু হলের ছাত্ররা নজরুল হলের সামনে এলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এতে বঙ্গবন্ধু হলের ছাত্ররা নজরুল হলের সামনে অবস্থান করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করেন। এ সময় উভয় হলের ছাত্রদের মাঝে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।
এর আগে শুক্রবার জুমার নামাজের পর সিনিয়র-জুনিয়র সম্পর্ক নিয়ে কাজী নজরুল ইসলাম হল ও বঙ্গবন্ধু হলের নেতাকর্মীরা বাগ্বিতণ্ডা থেকে হাতাহাতিতে জড়ায়। বিষয়টি হলের সিনিয়র নেতারা সমাধান করে দিলেও রেশ থেকে যায় দুই হলের নেতাকর্মীদের মনে।
সংঘর্ষের বিষয়ে কাজী নজরুল ইসলাম হলের ছাত্রলীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) নাজমুল হাসান পলাশ বলেন, বঙ্গবন্ধুর হলের ৩০০ থেকে ৪০০ জন আমাদের হলে এসে হামলা চালায়। আমি হলের সবাইকে ভেতরে রাখার চেষ্টা করেছি। ওরা যেভাবে হামলা চালিয়েছে কয়েকজন মার্ডার হতে পারত। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
সংঘর্ষের বিষয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মাজেদ বলেন, এ সময় কারা কী করছে, আমি দেখছি। আমি সবাইকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেছি। এখন হলের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ হলে অবস্থান করছে। যে ঘটনা ঘটেছে, সে ঘটনা যাতে পরে আর না ঘটে এ জন্য আমার সভাপতির সঙ্গে বসতে হবে এবং সবাইকে নিয়ে সমাধান করতে হবে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট মোকাদ্দেস-উল-ইসলাম বলেন, সংঘর্ষের কথা শুনে আমি হলে আসি। এরপর প্রক্টোরিয়াল টিমকে সঙ্গে নিয়ে শিক্ষার্থীদের হলে নিয়ে এসে হলের ফটক বন্ধ করে দেই। এখন শিক্ষার্থীরা হলে অবস্থান করছে। তবে আমার শিক্ষার্থীদের যারা মারধর করেছে তাদের বিচার চাই।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে সিদ্ধান্তের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) কাজী ওমর সিদ্দিকী বলেন, শিক্ষার্থীদের হাতাহাতির ঘটনা শুনে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। এখন শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ নিজ অবস্থানে রয়েছে। আমরা প্রক্টরিয়াল বডি বসে এটা সমাধান করব।











