spot_img
spot_img

ইন্দোনেশিয়ায় অগ্ন্যুৎপাত, ক্ষতিগ্রস্ত ৮ গ্রাম

বিশ্বের অন্যতম সক্রিয় আগ্নেয়গিরি ইন্দোনেশিয়ার মাউন্ট মেরাপিতে অগ্ন্যুৎপাত ক্ষতিগ্রস্ত দেশটির ৮ গ্রাম। গরম ধোঁয়া এবং ছাই কাছাকাছির গ্রামগুলোতে ছড়িয়ে পড়ছে। তবে এতে তাত্ক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি বলে দেশটির দুর্যোগ প্রশমন সংস্থা জানিয়েছে।

শনিবার (১১ মার্চ) অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়। শুরু হওয়া এই অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সেখান থেকে গরম ধোঁয়া ও ছাই বের হচ্ছে। যা এরই মধ্যে সাত কিলোমিটার দূর পর্যন্ত পৌঁছেছে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আগ্নেয়গিরিটি ইন্দোনেশিয়ার জোগকর্তার বিশেষ অঞ্চলে অবস্থিত। শনিবার বেলা ১১টার দিকে এটিতে অগ্ন্যুৎপাত শুরু হয়। সেখান থেকে লাভা ছড়িয়ে পড়ে দেড় কিলোমিটার পর্যন্ত। এক বিবৃতিতে বিপজ্জনক এলাকায় বাসিন্দাদের কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে সতর্ক করা হয়েছে। কারণ আগ্নেয়গিরির গর্তের ৩ থেকে ৭ কিলোমিটার পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

মেরাপির আগ্নেয়গিরি পর্যবেক্ষণ পোস্টের একজন কর্মকর্তা এক বিবৃতিতে বলেন, আগ্নেয়গিরির কাছাকাছি অন্তত আটটি গ্রাম আগ্নেয়গিরির ছাই দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মেরাপি হচ্ছে ইন্দোনেশিয়ার সবচেয়ে সক্রিয় আগ্নেয়গিরিগুলোর মধ্যে একটি। এটির উচ্চতা দুই হাজার ৯৬৩ মিটার। প্যাসিফিক রিং অব ফায়ারে মেরাপির অবস্থান। অন্য যে কোনো দেশের তুলনায় ইন্দোনেশিয়ায় আগ্নেয়গিরির সংখ্যা বেশি। এটিতে সবশেষ অগ্ন্যুৎপাত হয়েছিল ২০১০ সালে। যাতে ৩৫০ জনের বেশি মানুষ মারা যায়।

স্থানীয় আউটলেট কমপাস টিভির মুখপাত্র আব্দুল মুহারি এক বিবৃতিতে বলেন, মেরাপি আগ্নেয়গিরি মানমন্দির অনুমান করেছে ছাই মেঘ চূড়া থেকে ৩ হাজার মিটার (৯,৬০০ ফুট) ওপরে পৌঁছেছে। অগ্ন্যুৎপাতের পর কর্তৃপক্ষ ৭ কি.মি. দূর পর্যন্ত একটি নিরাপত্তা অঞ্চল স্থাপন করেছে। মাউন্ট মেরাপি অগ্ন্যুৎপাত থেকে সম্ভাব্য বিপদের পূর্বাভাসে জনসাধারণকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় যে কোনো কার্যক্রম বন্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আগ্নেয়গিরিটি ২০২০ সাল থেকে নতুন করে সক্রিয় হওয়ার পর এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্তরের সতর্কতা।

সূত্র : রয়টার্স

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ