বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা ইউসুফ আশরাফ, নায়েবে আমীর মাওলানা খুরশিদ আলম কাসেমী, মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, যুগ্মমহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ, মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন, মাওলানা কুরবান আলী কাসেমী, মুফতী শরাফত হোসাইনসহ গ্রেফতারকৃত সকল আলেম-ওলামা ও নেতা-কর্মীদের ঈদুল আযহার পূর্বেই নিঃশর্ত মুক্তির আহ্বান জানিয়েছেন দলের আমীর মাওলানা ইসমাঈল নূরপুরী, নায়েবে আমীর মাওলানা রেজাউল করিম জালালী, যুগ্মমহাসচিব মাওলানা আব্দুল আজীজ।
সোমবার (১২ জুলাই) এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, যারা কুরআন ও হাদিসের বলিষ্ট উচ্চারণ জাতির সামনে তুলে ধরতেন এবং খোদার জমিনে তার বিধান কায়েমের প্রচেষ্টা চালাতেন তাদের মধ্যে অনেকেই কারাবন্দী। জেল-জুলুম ও অত্যাচার করে ইসলামের অগ্রযাত্রা ঠেকানো যায় না। আলেম-ওলামা ও ইসলামী প্রিয় মানুষকে কারগারে বন্দী রাখা দেশ ও জাতির জন্য ক্ষতিকর। সুতরাং গ্রেফতারকৃত আলেম-ওলামাসহ সকল ইসলামী নেতাকর্মীদের মুক্তি দিন।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, দ্বীর্ঘ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ছাত্র-ছাত্রীরা নানাবিধ নেশা ও অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়ছে। শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসের ধারপ্রান্তে। তাই দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও আগামী প্রজন্মকে বাঁচাতে ঈদের পর পরই মাদরাসাসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি উদাত্ত আহবান জানান নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনা মহামারীর কারণে দেশে এক হাহাকার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। কাজ না থাকায় চুরি-ডাকাতি বেড়ে গেছে। খাদ্যের অভাবে নিজ পরিবারসহ আত্মহত্যার মত জঘন্যতম পাপে জড়িয়ে পড়ছে। করোনা থেকে মুক্তি পেতে রাষ্ট্রের কর্ণধারসহ সবাইকে মিথ্যা সুদ-ঘুষ প্রতারণা ও অনৈতিক কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে এবং আল্লাহর দরবারে বেশি বেশি তাওবা ইসতেগফার করা এবং সকল ধরনের অনৈতিক ও জুলুম থেকে বেঁচে থাকতে হবে।











