শিগগিরই জামায়াতে কওমি আলেমের সংখ্যা আলিয়াকে ছাড়িয়ে যাবে দাবি করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির নেতা মুফতী আলী হাসানা উসামা।
তিনি বলেন, শিগগিরই জামায়াতে আলিয়া ধারার আলেমদের তুলনায় কওমি আলেমদের সংখ্যা বেশি হয়ে যাবে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোষ্টে এ দাবি করেন তিনি।
ফেসবুক পোষ্টে তিনি লেখেন, ‘কওমি থেকে ইদানীং বিপুল সংখ্যক আলেম জামায়াতে যোগদান করছেন। বিরোধিতার এটাই ফজিলত। শনিবার সিলেট বিভাগের দুজন বক্তাও আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করবেন ইনশাআল্লাহ।’
তিনি লেখেন, ‘বিরোধীদের অতি বিরোধিতা, গালাগাল ও মিথ্যাচারের কারণে জামায়াতে আলিয়ার আলিমদের চেয়েও কওমি আলিমদের সংখ্যা বেড়ে যাবে শীঘ্রই। ক্ষমতাসীনদের পরামর্শে বিরোধিতাও যে হারে বাড়ছে, কেন যেন যোগদানও সে হারে বেড়েই চলছে।’
তিনি আরও লেখেন, ‘আলেম যত বাড়বে, জ্ঞানচর্চাও তত বাড়বে। সংস্কার চলমান প্রক্রিয়া। জ্ঞানীদের আগমনের মাধ্যমে সংশোধন ও সংস্কারের প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলবে। আলেমদের নেতৃত্বেই ইকামাতে দ্বীনের কর্মীরা এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।’
তবে বাস্তব ভুলের গঠনমূলক সমালোচনার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু ‘মিথ্যাচার’ ছড়িয়ে লাভ নেই। ইন্টারনেটের কারণে মানুষ এখন সহজেই বিভিন্ন বক্তব্যের মূল সূত্র ও রেফারেন্স যাচাই করতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিরোধীদের উদ্দেশে মুফতী উসামা লেখেন, ‘লেবু বেশি চিপতে গিয়ে তিতা বানিয়ে ফেলবেন না। এসব সমালোচনা ও গালাগালি জামায়াতের জন্য উল্টো সুফল বয়ে এনেছে।
তিনি লেখেন, ‘১৯৮৩ তেও জামায়াতের রুকন সংখ্যা এক হাজারও পূর্ণ হয়নি; অথচ আশির দশক ছিল এ দেশের কওমি রাজনীতির অন্যতম স্বর্ণযুগ ও ঐক্যের বিরল নিদর্শন।’
এর সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করে উসামা বলেন, বর্তমানে জামায়াতের অবস্থান অনেক শক্ত হয়েছে, অন্যদিকে কওমি ধারার রাজনৈতিক দলগুলো বিভক্তি ও পারস্পরিক বিরোধের কারণে দুর্বল হয়েছে।
সবশেষে তিনি বলেন, যারা মনে করেন যত গালি, তত নেকি, তাদের উদ্দেশে সতর্ক হওয়া উচিত। তার দাবি, ‘আপনাদের গালাগালিই অন্যদের এগিয়ে দেবে।










