গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে পূর্বঘোষণা অনুযায়ী চার বিভাগ অভিমুখে লংমার্চের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। লংমার্চ কর্মসূচি শেষে আগামী ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আগামী ৫ সেপ্টেম্বর শনিবার ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার ঢাকা থেকে রংপুর, ১০ অক্টোবর শনিবার ঢাকা থেকে খুলনা এবং ২৪ অক্টোবর শনিবার ঢাকা থেকে সিলেটে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হবে।
এর মধ্যে চট্টগ্রাম, রংপুর ও খুলনার লংমার্চ সড়কপথে এবং সিলেটের লংমার্চ রেলপথে অনুষ্ঠিত হবে।
এ উপলক্ষে সোমবার (১৭ আগস্ট) বেলা ১১টায় রাজধানীর মগবাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘লংমার্চ’ বাস্তবায়ন কমিটির এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
বৈঠকে লংমার্চগুলো শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন কমিটি গঠন এবং দায়িত্ব বণ্টন করা হয়।
একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এলাকার সর্বস্তরের জনশক্তি ও দেশবাসীর প্রতি লংমার্চ কর্মসূচি সর্বাত্মকভাবে সফল করার জন্য উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মা’ছুম, রফিকুল ইসলাম খান এমপি, ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ (সাবেক এমপি), আবদুল হালিম ও মুহাম্মাদ শাহজাহান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমীর নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মো. সেলিম উদ্দিন এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মো. রেজাউল করিম।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চলের প্রতিনিধি আবুল কালাম আজাদ এমপি, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগরী আমীর মো. ফখরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বগুড়া অঞ্চলের সহকারী পরিচালক অধ্যাপক মো. নজরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা।










