spot_img
spot_img

ইন্ডিয়ান মিলিটারি একাডেমিতে পড়াশোনা করেছিলেন তালেবানের শীর্ষ নেতা শের মুহাম্মাদ

সশস্ত্র অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ২০ বছর পর আফগানিস্তানে শুরু হতে যাচ্ছে তালেবানের শাসন। এই সংগঠনের অন্যতম নেতা শের মুহাম্মাদ আব্বাস স্তানাকজাই। তিনি আফগান ক্যাডেট হিসেবে দেরাদুনের ইন্ডিয়ান মিলিটারি একাডেমিতে ট্রেনিং নিয়েছিলেন। IMA-এর ১৯৮২-এর সহপাঠীদের কাছে তাঁর ডাকনাম ছিল ‘শেরু’।

তাঁর সহপাঠীরা বলছে, সে সময়ই স্তানাকজাই এর চেহারার গড়ন ছিল শক্তিশালী। তাঁর হাইট আহামরি কিছু ছিল না। তাছাড়া ইসলামীক বলেও তাঁর নাম ছিল না। যখন তিনি আইএমএতে যোগ দেন, তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২০।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘ইন্ডিয়া টাইমস’ এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ডি এ চতুর্বেদী ছিলেন তার সহপাঠী। তিনি জানিয়েছেন, সবাই তাঁকে খুব ভালোবাসতো। একাডেমির অন্য ক্যাডেটদের চেয়ে তাঁকে একটু বয়স্ক লাগত। তাঁর পুরু গোঁফ ছিল।

ভারত স্বাধীনতার পর থেকেই বিদেশি ক্যাডেটরা আইএমএতে ভর্তি হতে পারতেন। ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর ১৯৭১ সাল থেকে আফগান ক্যাডেটরাও এই সুবিধা পেতেন। সেই হিসেবেই ইন্ডিয়ান মিলিটারি একাডেমিতে ট্রেনিংয়ের সুযোগ পায় স্তানাকজাই।

আর এক অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল কেশর সিং শেখাওয়াত জানিয়েছেন, স্তানাকজাই ছিল সাধারণ যুবক। সে খুব বন্ধুত্বপূর্ণ ছিল বলেও জানান তিনি। হৃষিকেষের গঙ্গায় ‘শেরু’র সাঁতারের একটি ছবিও আছে বলে জানান তিনি।

ট্রেনিংয়ের পর আফগান সেনায় যোগ দেয় স্তানাকজাই। ১৯৯৬ সালে আফগান সেনা ছেড়ে তালিবানে যোগ দেন এই শের মুহাম্মাদ স্তানাকজাই। নিউইয়র্ক টাইমসের একটি রিপোর্টে তাঁকে তালিবান সরকারের কার্যনির্বাহী বিদেশমন্ত্রী হিসেবেও বলা হয়েছিল। সেখানে দাবি করা হয়েছিল ইংরেজি বলাতে সাবলীল থাকায় খুব শিগগিরি তালিবানদের মধ্যে উপরের দিকে পোস্ট পায় স্তানাকজাই। এরপর ক্রমেই তালিবানে অন্যতম গুরত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেন তিনি। বর্তমানে তালিবানদের টপ ১০ নেতাদের মধ্যে তিনি একজন।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ