ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুথি বাহিনীর হামলার মুখে সৌদি আরবের সামরিক প্রয়োজন পূরণে সহায়তা করতে প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছে তুরস্ক। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, বিশেষ করে কারিগরি সামরিক সহায়তার প্রয়োজন হলে তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় তা নিয়ে আলোচনা করা হবে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) তুরস্কের সংবাদমাধ্যম এনটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন হাকান ফিদান।
ফিদান বলেন, সৌদি আরবের ভূখণ্ড ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে গুরুতর হামলা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে দেশটির কিছু সামরিক প্রয়োজন দেখা দিতে পারে। এসব প্রয়োজন পূরণে তুরস্ক প্রস্তুত রয়েছে। তবে কী ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি।
সৌদি আরবকে আমেরিকা ও ইরানের চলমান যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলার বিরোধিতা করে ফিদান বলেন, রিয়াদ নিজে এ যুদ্ধে অংশ নিতে চায় না। তাই দেশটিকে সংঘাতের অংশে পরিণত করা গ্রহণযোগ্য নয়।
এদিকে হুথি বাহিনী রিয়াদ ও ইয়ানবুতে হামলা চালানোর দাবি করেছে। অন্যদিকে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, রিয়াদের দিকে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। উভয় পক্ষের সামরিক দাবির বিস্তারিত স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়নি।
সৌদি আরবের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে পাকিস্তানও। তবে দেশটিতে অতিরিক্ত পাকিস্তানি সেনা মোতায়েনের কোনো নিশ্চিত ঘোষণা পাওয়া যায়নি।
সামরিক সহযোগিতার পাশাপাশি সংঘাত বন্ধে কূটনৈতিক উদ্যোগ চালাচ্ছে তুরস্ক। ফিদান জানিয়েছেন, ইয়েমেনকে কেন্দ্র করে চলমান লড়াই বন্ধের প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। তবে প্রস্তাবের বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।
সূত্র : আল-জাজিরা











