spot_img

সমাজে অনেকে বঞ্চনার শিকার হচ্ছে : পরিকল্পনামন্ত্রী

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, সমাজে অনেকে অবিচার ও বঞ্চনার শিকার হচ্ছে। নিয়ম মেনে এগুলোকে তাড়াতে হবে বলে। সমাজে বিভিন্ন ধরনের বৈষম্য দেখা যাচ্ছে (যেমন-সাম্প্রদায়িক, দলিত ও হরিজন)। উপমহাদেশের সমাজগুলোতে তারতম্য সব থেকে বেশি। এগুলো ব্রিটিশরা তাদের প্রয়োজনে করে গেছে। আমাদের সবাইকে এগুলো দূর করতে হবে। তবে শুধু আমাদের সমাজে নয়, জাপান-ইউরোপ সব জায়গায় বৈষম্য আছে।

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) নগরীর এনইসি সম্মেলন কক্ষে ‘দলিত-হরিজন সম্মেলন-২০২২’ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় মন্ত্রী এ কথা বলেন।

এম এ মান্নান বলেন, মানুষে মানুষে বৈষম্য দেখা যাচ্ছে। নিয়মের মধ্যে ফেলে এগুলো যত দূর করা যায় ততোই ভালো। আমরা দলিত মানুষদের জন্য প্রকল্প নিয়ে থাকি, কিন্তু প্রকল্পের প্রস্তাবনা সঠিকভাবে হয় না। অনেকে প্রকল্প তৈরিও করতে পারে না।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য, নাগরিক উদ্যোগের চিফ এক্সিকিউটিভ জাকির হোসেন, বেসরকারি সংস্থা মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম, সোশ্যাল ডেভেলপমেন্টের অ্যাডভাইজার তাহেরা জাবিন প্রমুখ।

সম্মেলনে বক্তারা বলেন, দলিত, হরিজন এবং চা বাগান শ্রমিকরা মিলে প্রায় ৯২ লাখ প্রান্তিক এবং উপেক্ষিত মানুষের বাস এই বাংলাদেশে। এই মানুষেরা শত বছরের প্রচলিত জাতপ্রথা এবং পেশাগত কারণে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে ঘৃণা, বৈষম্য ও বঞ্চনার শিকার। এরাই সমাজের সবচেয়ে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী। এদের পরিচয়ে জুড়ে দেওয়া হয়েছে ‘অস্পৃশ্যতা’ এবং ‘অপবিত্রতার’ মতো ধারণাগুলো।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ