spot_img

৮ বছরে সীমান্তে হত্যার শিকার ২০২ বাংলাদেশি

সীমান্তে গুলি চালিয়ে প্রায়শই নির্মমভাবে বাংলাদেশীদের হত্যা করে বিএসএফ। প্রতিবার সীমান্ত সম্মেলনে হত্যা বন্ধে আলোচনা হলেও সীমান্তে বন্ধ হয়নি গুলিবর্ষণ। গত ১৭ থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত ঢাকার পিলখানায় বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ে ৫২তম সীমান্ত সম্মেলনে যৌথ আলোচনার দলিল স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে আবারও সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোঠায় নিয়ে আসার আশ্বাস দিয়েছে দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

তবে হত্যাকাণ্ডের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) মহাপরিচালক পঙ্কজ কুমার সিং বলেছেন, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে যারা গুলিতে নিহত হয়েছেন তারা বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। নিহতরা সবাই মাদক, গরু চোরাকারবারসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত বলেও দাবি করেন তিনি।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবির তথ্য বলছে, ২০১৫ থেকে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত সীমান্তে ২০২ বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ৪৩৮ জন। চলতি বছরের (২০২২) জুন পর্যন্ত সীমান্তে মারা গেছেন পাঁচ জন। ২০২১ সালে এই সংখ্যা ছিল ১২। ২০২০ সালে ছিল ৪৯ জন। ২০১৯ সালের সীমান্ত নিহত হয় ৩৫ বাংলাদেশি। ২০১৮ সালে নিহতের সংখ্যা ছিল তিন জন। ২০১৭ সালে ২২ জন। ২০১৬ সালে ৩১ ও ২০১৫ সালে ৪৫ জন নিহত হয়।

বিএসএফের তথ্য বলছে, চলতি বছরের মে পর্যন্ত সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্রের মাধ্যমে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ৯৮টি। সীমান্তে নিহত হয়েছে ৮ জন। নন-লিথাল উইপেন ব্যবহার হয়েছে ১৫৭২ বার। ২০২১ সালে প্রাণঘাতী অস্ত্রের মাধ্যমে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ২১৪টি। ২০২০ সালে ঘটে ২৬৮টি।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ