প্রথমবারের মতো শূরা কাউন্সিলের উপদেষ্টা পরিষদ নির্বাচনের জন্য বিধানসভা নির্বাচনের আয়োজন করতে যাচ্ছে কাতার।
রবিবার (২২ আগস্ট) দেশটির আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানী এবিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেন।
প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী আগামী ২ অক্টোবর উপদেষ্টা পরিষদের দুই তৃতীয়াংশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
শূরা কাউন্সিলের ৪৫ আসন বিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদের ৩০টি আসনের সদস্যদের নির্বাচন করবে কাতারের জনগণ। আর বাকি ১৫টি আসনে উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্রটির আমির নিজেই উপদেষ্টা নিয়োগ দিবেন বলে জানা যায়।
ওই উপদেষ্টা পরিষদকে আইন প্রণয়ন, রাজ্যের সাধারণ নিয়মনীতি ও বাজেট অনুমোদনের ক্ষমতা দেওয়া হবে। তাছাড়া প্রতিরক্ষা, নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক এবং বিনিয়োগ নীতি নির্ধারণকারী সংস্থাগুলো ব্যতীত প্রশাসনিক কার্যনির্বাহী বিভাগগুলোর উপরও তাদের নিয়ন্ত্রণ থাকবে।
প্রসঙ্গত বর্তমানে কুয়েতই একমাত্র উপসাগরীয় রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র যারা নির্বাচিত পার্লামেন্টকে যথেষ্ট ক্ষমতা দিয়ে থাকে। তাদের নির্বাচিত পার্লামেন্ট কমিটি যাবতীয় আইন ও বিধানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি এবং মন্ত্রীদের জবাবদিহি করার ক্ষমতা রাখেন। এক্ষেত্রে যদিও প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর মতো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তাদের আমিরই গ্রহণ করে থাকেন।
উল্লেখ্য, অন্যান্য আরব উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলোর মতো কাতারও ছোট কিন্তু প্রাকৃতিক তেল-গ্যাস উৎপাদনকারী একটি ধনী রাষ্ট্র। অন্যান্য আরব উপসাগরীয় দেশগুলোর মতো তারাও সকল রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধ করেছে।
আগামী অক্টোবরে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে নির্বাচনী অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে কিছু বিতর্ক দেখা দিয়েছে। কেননা এক আইন অনুসারে কিছু গোত্রের লোকজন নিজেদেরকে আসন্ন নির্বাচনে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে অযোগ্য হিসাবে আবিষ্কার করছেন! কারণ ১৯৩০ সালের আগে যে সমস্ত পরিবার কাতারে বসবাসের জন্য এসেছিলো তাদের ক্ষেত্রে নির্বাচনের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে।
সংবিধান অনুসারে নির্বাচনী আইন যার ফলে কিছু সীমাবদ্ধতা আরোপ হয় তা ২০০৩ সালে গণভোটের ভিত্তিতে অনুমোদন দেওয়া হয়েছিলো। এই আইনটি পুনরায় পর্যালোচনার জন্য নতুন শূরা কাউন্সিলে উত্থাপিত হতে পারে।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর












