ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইল গাজ্জা উপত্যকায় যুদ্ধাপরাধ ও গণহত্যার দ্বারা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে বলে জানিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা।
মঙ্গলবার (২১ নভেম্বর) দক্ষিণ আফ্রিকার সভাপতিত্বে ব্রিকস সদস্য ভুক্ত দেশগুলোকে নিয়ে আয়োজিত একটি অনলাইন সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
সিরিল রামাফোসা বলেন, “বেআইনিভাবে বল প্রয়োগ করে বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের সম্মিলিত শাস্তি প্রদান করছে দখলদার ইসরাইল যা যুদ্ধাপরাধের অন্তর্ভুক্ত। ইচ্ছাকৃতভাবে গাজ্জার বাসিন্দাদের ঔষধ, জ্বালানি, খাদ্য ও পানি বন্ধ করে দেওয়া গণহত্যার সমতুল্য।”
সম্মেলনে গাজ্জা উপত্যকায় চলমান সংঘাতের মূল কারণ হিসেবে ইসরাইলি দখলদারিত্বকেই দায়ী করেন তিনি। সেই সঙ্গে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক গৃহীত রেজোলিউশন নং ২৩৩৪ তুলে ধরেন। যে রেজুলেশনে বলা হয়েছে, অবৈধভাবে স্থাপন করা ইসরাইলি বসতিগুলো আন্তর্জাতিক আইনের সু-স্পষ্ট লঙ্ঘন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কাছে যুদ্ধাপরাধের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করারও দাবি জানিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার এ শীর্ষ নেতা।
এছাড়াও গাজ্জায় অবিলম্বে ব্যাপক যুদ্ধবিরতি ও একটি মানবিক করিডোর প্রতিষ্ঠারও আহ্বান জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গতকাল সৌদি আরব, আর্জেন্টিনা, ইথিওপিয়া, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতারা ব্রিকসের এ সম্মেলনে যোগ দেয়। যদিও তাদের পূর্ণ ব্রিকস সদস্যপদ আগামী বছর থেকে শুরু হবে। এছাড়াও বর্তমান সদস্য দেশ ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত ও চীনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে ইসরাইলের কাছে অস্ত্র রপ্তানি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মুহাম্মাদ বিন সালমান।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর










