মার্কিন সরকার পঞ্চম প্রজন্মের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান উৎপাদন কর্মসূচি থেকে তুরস্ককে বের করে দেওয়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে আঙ্কারাকে জানিয়ে দিয়েছে।
তুরস্কের বার্তা সংস্থা এ খবর দিয়েছে।
রাশিয়ার কাছ থেকে তুরস্কের এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার বিষয়টি মেনে না নিতে পেরে এ সিদ্ধান্ত নিল ওয়াশিংটন।
এর আগে ২০১৯ সালে মার্কিন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছিল, রাশিয়ার কাছ থেকে এস-৪০০ কেনার কারণে আমেরিকা তুরস্ককে পঞ্চম প্রজন্মের এফ-৩৫ কর্মসূচি থেকে বাদ দিয়েছে। এবার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে আঙ্কারাকে জানাল ওয়াশিংটন।
এই কর্মসূচিতে তুরস্ক ও আমেরিকার পাশাপাশি, ব্রিটেন, কানাডা, ডেনমার্ক, অস্ট্রেলিয়া, ইতালি, হল্যান্ড ও নরওয়ের অংশগ্রহণ করার কথা ছিল। চুক্তিতে বলা হয়েছিল, এই নয় দেশের প্রতিটি দেশ এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের কোনো না কোনো অংশ তৈরি করবে এবং শেষে আমেরিকা, ইতালি ও জাপানে অবস্থিত কারখানায় এসব অংশ জোড়া লাগিয়ে যুদ্ধবিমান তৈরি করা হবে। কিন্তু এবার সে কর্মসূচি তুরস্ককে ছাড়া বাকি আট দেশ এগিয়ে নেবে।
এই প্রজেক্টে তুরস্ক প্রায় ১.২৫ বিলিয়ন ডলার দিয়ে যুক্ত হয়েছিল। প্রজেক্টটিতে তুরস্কের বিভিন্ন কোম্পানি ১০০৫ টি যন্ত্রাংশ তৈরির কাজও পেয়েছিল। ১০০ বিমান কেনার কথা ছিল তুরস্কের। তুরস্কেকে ৬টি বিমান হস্তান্তরও করেছিল আমেরিকা। কিন্তু সেগুলো তুরস্কে এসে পৌঁছানোর আগেই ফেরত নিয়ে নেয়।
আমেরিকা দাবি করছে, তুরস্কে পঞ্চম প্রজন্মের এফ-৩৫ জঙ্গিবিমানের যন্ত্রাংশ নির্মিত হলে এটির দুর্বল দিকগুলো রাশিয়া জেনে যাবে; ফলে এস-৪০০ ব্যবস্থা দিয়ে সহজেই এই যুদ্ধবিমান গুলি করে নামানো সম্ভব হবে। তবে তুরস্ক ও রাশিয়া এই অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে এসেছে।












