দীর্ঘ শতাব্দী ধরে আফগানিস্তান এমন এক দুর্জয় ভূখণ্ড হিসেবে পরিচিত, যাকে দখলে নেওয়া কখনোই সহজ ছিল না। দেশটির মানুষ কখনোই আগ্রাসীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধকে সাময়িক কোনো যুদ্ধ হিসেবে দেখেনি। বরং তারা একে নিজেদের ভূমি, আকিদা, মর্যাদা ও স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই হিসেবে বিবেচনা করেছে।
এ কারণেই ইতিহাসে আফগানদের নাম জড়িয়ে আছে সেই সব বৃহৎ শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধের সঙ্গে, যারা তাদের বশে আনার চেষ্টা করেছে। আফগানিস্তানের পাহাড়, উপত্যকা ও সমতলভূমি এমন সব বীরত্বগাথার রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে, যা অঞ্চল ও বিশ্বের ইতিহাসে গভীর ছাপ রেখে গেছে।
আধুনিক আফগান ইতিহাসের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিকগুলোর একটি হলো, তিনটি সাম্রাজ্য ও পরাশক্তি বিপুল সামরিক শক্তি, উন্নত প্রযুক্তি এবং আফগানদের তুলনায় বহুগুণ বেশি সম্পদ নিয়ে দেশটিতে প্রবেশ করেছিল। কিন্তু সামরিক শ্রেষ্ঠত্বকে স্থায়ী নিয়ন্ত্রণে রূপ দিতে ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত তারা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে আফগানিস্তান ছাড়তে বাধ্য হয়।
এই তিন শক্তি হলো ব্রিটিশ সাম্রাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং আমেরিকা। আমেরিকার সঙ্গে ছিল পূর্ব ও পশ্চিমের মিত্র ও সহযোগী শক্তিগুলোও।
তবে এসব সংঘাতের পরিস্থিতি বা বিস্তারিত ফলাফল একরকম ছিল না। প্রতিটি যুদ্ধের নিজস্ব রাজনৈতিক ও সামরিক প্রেক্ষাপট ছিল। কিন্তু সব ক্ষেত্রেই একটি বিষয় ছিল অভিন্ন, শক্তি প্রয়োগ করে আফগান সমাজকে বশে আনা অত্যন্ত কঠিন ছিল এবং শক্তির ভারসাম্যে বিপুল পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও আফগান যোদ্ধা ও মুজাহিদরা প্রতিরোধ চালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন।
ব্রিটেন; আফগানিস্তানের দেয়ালে ধাক্কা খাওয়া প্রথম সাম্রাজ্য
উনিশ শতকে ব্রিটেন যখন তার সাম্রাজ্যিক শক্তির শীর্ষে ছিল এবং বিশ্বের বিশাল অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছিল, তখন ভারত ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের মুকুটের রত্ন। এশিয়ায় ব্রিটেনের কৌশলগত পরিকল্পনায় ভারত ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ও শক্তির প্রধান ভিত্তি।
ব্রিটেন ও রাশিয়ার মধ্যকার যে প্রতিযোগিতা ‘গ্রেট গেম’ নামে পরিচিত, সেই প্রেক্ষাপটে লন্ডনের কাছে আফগানিস্তান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবস্থান লাভ করে।
ব্রিটিশরা একাধিকবার যুদ্ধের মাধ্যমে আফগানিস্তানে প্রবেশ করে। তাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল নিজেদের কৌশলগত স্বার্থ নিশ্চিত করা এবং দেশটিকে প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তিগুলোর প্রভাব বিস্তারের ঘাঁটিতে পরিণত হতে না দেওয়া। কিন্তু আফগানিস্তানের কঠিন ভূপ্রকৃতি, উপজাতীয় সমাজ ও স্থানীয় প্রতিরোধ দেশটির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাকে অত্যন্ত জটিল করে তোলে।
প্রথম অ্যাংলো-আফগান যুদ্ধে ব্রিটেন বড় ধরনের আঘাতের মুখে পড়ে। তাদের সামরিক অভিযান ভেঙে পড়ে এবং ১৮৪২ সালের শীতে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে ব্রিটিশ সেনারা কাবুল থেকে পিছু হটে। সেই পশ্চাদপসরণ ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ইতিহাসে সামরিক ব্যর্থতার সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাগুলোর একটিতে পরিণত হয়।
পরবর্তী সময়ে ব্রিটেন আবারও আফগানিস্তানে ফিরে আসে। তারা সামরিক বিজয় অর্জন করে এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যবস্থা চাপিয়ে দেয়। এরপরও ভারতের মতো আফগানিস্তানকে নিজেদের অধীনস্থ উপনিবেশে পরিণত করতে পারেনি। রাজনৈতিক স্বাধীনতা ও আফগান সার্বভৌমত্ব প্রতিরোধের কেন্দ্রীয় লক্ষ্য হিসেবেই থেকে যায়।
এরপর ১৯১৯ সালে শুরু হয় তৃতীয় অ্যাংলো-আফগান যুদ্ধ। আফগানরা আবারও ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামে। আফগান মুজাহিদদের হাতে ব্রিটিশরা কঠিন আঘাত পাওয়ার পর যুদ্ধের পরিণতিতে ব্রিটেন আফগানিস্তানের পররাষ্ট্রনীতির স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেয়। এর মধ্য দিয়ে আফগান সার্বভৌমত্বের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়।
সোভিয়েত ইউনিয়ন; পাহাড়ে ক্লান্ত হয়ে পড়া পরাশক্তি
কয়েক দশক পর আরেক পরাশক্তি আফগান চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়। ১৯৭৯ সালের ডিসেম্বর মাসে সোভিয়েত সেনাবাহিনী আফগানিস্তানে প্রবেশ করে। শীতল যুদ্ধের সময় এটি ছিল সবচেয়ে বড় সামরিক হস্তক্ষেপগুলোর একটি।
সোভিয়েত ইউনিয়নের ছিল বিশাল সেনাবাহিনী ও বিপুল সামরিক অস্ত্রভাণ্ডার। অন্যদিকে যুদ্ধের শুরুর দিকে আফগান মুজাহিদরা সীমিত অস্ত্র ও সামর্থ্যের ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। কিন্তু শক্তির এই বিশাল ব্যবধানও যুদ্ধের ফল নির্ধারণ করতে পারেনি।
আফগানিস্তানের গ্রাম, পাহাড় ও উপত্যকায় সোভিয়েত বাহিনী এবং তাদের সমর্থিত সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতিরোধ গড়ে ওঠে। দৃঢ় ঈমান, নিজের ভূমির সঙ্গে গভীর সম্পর্ক এবং দখলদারিত্ব প্রত্যাখ্যানের মানসিকতা ছিল এমন গুরুত্বপূর্ণ কারণগুলোর মধ্যে, যা মহান আল্লাহর অনুগ্রহে প্রতিরোধকারীদের দৃঢ়ভাবে টিকে থাকা ও লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শক্তি দিয়েছিল।
তবে এই যুদ্ধ আফগানদের জন্যও সহজ ছিল না। তাদের বিপুল মানবিক ও বস্তুগত মূল্য দিতে হয়েছে। বিস্তীর্ণ অঞ্চল ধ্বংস হয়েছে এবং লক্ষ লক্ষ আফগান প্রতিবেশী দেশগুলোতে হিজরত করেছে।
অন্যদিকে যুদ্ধটি সামরিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে সোভিয়েত ইউনিয়নকে ব্যাপকভাবে ক্ষয় করে।
১৯৮৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে আফগানিস্তান থেকে সর্বশেষ সোভিয়েত সেনাদের প্রত্যাহার সম্পন্ন হয়। সোভিয়েত ইউনিয়নের শেষ বছরগুলোতে দেশটিকে দুর্বল করে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই যুদ্ধ অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংঘাতে পরিণত হয়।
এভাবেই বিংশ শতাব্দীর দুই শক্তিশালী পরাশক্তির একটি যে লক্ষ্য নিয়ে আফগানিস্তানে প্রবেশ করেছিল, তা অর্জন না করেই দেশটি থেকে বেরিয়ে যায়।
আমেরিকা; দুই দশক পর একই দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার, পেন্টাগনসহ বিভিন্ন স্থানে হামলা হলে আমেরিকা একটি আন্তর্জাতিক জোটের নেতৃত্ব দিয়ে আফগানিস্তানে হস্তক্ষেপ করে।
যুদ্ধের প্রথম কয়েক সপ্তাহে ইমারাতে ইসলামিয়ার বাহিনী ধ্বংসযজ্ঞ এড়ানো এবং রক্তপাত থেকে মানুষকে রক্ষার জন্য পাহাড়ে সরে যাওয়ার পর ইমারাতে ইসলামিয়ার শাসনব্যবস্থার পতন ঘটে। কিন্তু সামরিক শক্তি দিয়ে একটি সরকারকে উৎখাত করা এক বিষয়, আর অত্যন্ত জটিল একটি দেশের ওপর স্থিতিশীল ও স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।
বছর গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আফগানিস্তান দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়। ইমারাতে ইসলামিয়া ও তার মুজাহিদরা লড়াই চালিয়ে যান। অন্যদিকে আমেরিকা ও তার মিত্ররা শত শত বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে, বিপুলসংখ্যক সেনা মোতায়েন করে এবং সর্বাধুনিক সামরিক ও গোয়েন্দা প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
তারপরও এই যুদ্ধ আমেরিকার বিজয়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয়নি। বরং আফগানদের হাতে আমেরিকা ও তার মিত্রদের শোচনীয় পরাজয়ের মধ্য দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।
দীর্ঘ আলোচনার পর ২০২০ সালে ইমারাতে ইসলামিয়া ও আমেরিকার মধ্যে দোহা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এরপর ২০২১ সালে আমেরিকান ও অন্যান্য বিদেশি সেনারা আফগানিস্তান থেকে প্রত্যাহার করে।
২০২১ সালের আগস্টে ২০ বছরের দীর্ঘ সংগ্রামের পর ইমারাতে ইসলামিয়া আবার কাবুলে ফিরে আসে। এর মধ্য দিয়ে আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘ যুদ্ধের অবসান ঘটে।
আফগানদের দৃঢ়তার রহস্য কী?
এই যুদ্ধগুলোকে শুধু সামরিক কারণের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে দেখা সহজ মনে হতে পারে। কিন্তু আফগান অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এমন একটি সমাজকে বশে আনতে শুধু সামরিক শক্তিই যথেষ্ট নয়, যে সমাজ মনে করে এই লড়াই তার অস্তিত্ব, পরিচয় ও মর্যাদার সঙ্গে সম্পর্কিত।
আফগান যোদ্ধা, প্রতিরোধকারী ও মুজাহিদদের বড় একটি অংশের কাছে ঈমান ছিল প্রেরণা ও ধৈর্যের শক্তিশালী উৎস। তারা দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিরোধকে ধর্মীয় ও জাতীয় দায়িত্ব হিসেবে দেখেছেন।
এর পাশাপাশি আফগানিস্তানের ভূপ্রকৃতিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। দেশটির দুর্গম পাহাড়, বিস্তৃত উপত্যকা ও বিশাল গ্রামীণ অঞ্চল অত্যাচারী, জবরদস্তিকারী, আগ্রাসী ও দখলদারদের জন্য বরাবরই দুর্জয় ছিল। এসব অঞ্চল প্রতিরোধকারীদের চলাফেরা, আত্মগোপন এবং নিজেদের সারি পুনর্গঠনের সুযোগ দিয়েছে।
একইভাবে স্থানীয় সামাজিক কাঠামো, উপজাতীয় ও গোত্রীয় সম্পর্ক, জনগণকে সংগঠিত করার সক্ষমতা এবং আফগানদের স্বভাব, ঈমান ও আকিদা, সবকিছু মিলেই এমন পরিস্থিতি তৈরি করেছে, যেখানে শুধু শহর ও প্রধান কেন্দ্রগুলোর সামরিক নিয়ন্ত্রণ দিয়ে পুরো দেশকে বশে আনা সম্ভব হয়নি।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল, বছরের পর বছর প্রতিরোধ চালিয়ে যাওয়ার তাদের সক্ষমতা। এর ফলে দখলদার শক্তির কাছে যুদ্ধ একটি সীমিত সামরিক আগ্রাসন থেকে দীর্ঘস্থায়ী ও লোকসানমুখী ক্ষয়যুদ্ধে রূপ নেয়।
যে ভূমি সহজে আত্মসমর্পণ করে না
ইতিহাসের অর্থ এই নয় যে প্রতিটি সাম্রাজ্য একইভাবে আফগানদের কাছে পরাজিত হয়েছে কিংবা সব যুদ্ধ একই ফলাফলে শেষ হয়েছে। প্রতিটি যুগের নিজস্ব পরিস্থিতি ও প্রেক্ষাপট ছিল।
তবে একটি বিষয় নিশ্চিত, আফগানিস্তান তার জনগণের ঈমান, দৃঢ় ইচ্ছাশক্তি ও অবিচলতার মাধ্যমে বারবার প্রমাণ করেছে, এই ভূখণ্ড দখল করা সম্ভব নয়।
এই তিন সাম্রাজ্যেরই ছিল সামরিকভাবে শ্রেষ্ঠতর সেনাবাহিনী, উন্নত অস্ত্র এবং আফগাদের তুলনায় অনেক বেশি সম্পদ। কিন্তু তারা সবাই বারবার একটি বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে, ঈমান ও আকিদার সামনে প্রযুক্তি পরাজিত হয়েছে।
এই ভূমির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হয়তো এর মানুষের ইচ্ছাশক্তি নিয়ন্ত্রণের চেয়ে সহজ হতে পারে। কিন্তু এখানকার মানুষের ইচ্ছাশক্তিকে বশে আনা অসম্ভব। গত কয়েক শতাব্দীতে সবার কাছে এ সত্যই প্রমাণিত হয়েছে।
এ কারণেই ইতিহাসের স্মৃতিতে আফগানিস্তান বৃহৎ শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। উনিশ শতকে ব্রিটিশরা আফগানদের প্রতিরোধের মুখে পড়ে। বিংশ শতাব্দীতে সোভিয়েতরা দীর্ঘ ক্ষয়যুদ্ধে আটকে যায়। আর আমেরিকানরা প্রায় দুই দশকের যুদ্ধে জড়িয়ে শেষ পর্যন্ত সেনা প্রত্যাহার ও পরাজয়ের মধ্য দিয়ে আফগানিস্তান ছাড়ে।
তিন শতাব্দীর সংঘাত; শিক্ষা একটিই
ব্রিটিশ সাম্রাজ্য থেকে সোভিয়েত ইউনিয়ন, এরপর আমেরিকা, আফগান ইতিহাসে একই দৃশ্য বারবার ফিরে এসেছে। একটি পরাশক্তি বিপুল সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে দেশটিতে প্রবেশ করে। এরপর ধীরে ধীরে বুঝতে পারে, যুদ্ধ শুধু অস্ত্রের সঙ্গে অস্ত্রের লড়াই নয়।
এটি একদিকে এমন একটি প্রকল্পের লড়াই, যা শক্তি প্রয়োগ করে নিজের ইচ্ছা চাপিয়ে দিতে চায়। অন্যদিকে রয়েছে এমন এক জাতি, যাদের রয়েছে দৃঢ় ঈমান এবং নিজেদের ভূমি, ইসলামী পরিচয় ও স্বাধীনতা রক্ষার শক্তিশালী প্রেরণা।
সাম্রাজ্য বদলেছে, অস্ত্র বদলেছে, প্রযুক্তির উন্নতি হয়েছে এবং যুদ্ধের উদ্দেশ্যও ভিন্ন হয়েছে। কিন্তু আফগানিস্তানের পাহাড়গুলো মাথা উঁচু করে একটি সত্যের সাক্ষ্য দিয়ে গেছে, দখলদার শক্তি যত বড়ই হোক না কেন, এমন একটি জাতিকে কখনোই আত্মসমর্পণ করাতে পারে না, যারা ইসলামের মধ্যে নিজেদের মর্যাদা দেখে এবং মুক্তি ও স্বাধীনতাকে এমন একটি আদর্শ মনে করে, যার জন্য ত্যাগ স্বীকার ও অবিচল থাকা সার্থক।
সূত্র: হুরিয়াত রেডিও










