জনগণের দুআর ফলে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া আবারও সুস্থ হয়ে ফিরে আসবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
সোমবার (২৪ জানুয়ারি) শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো’র ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার বনানীস্থ কবরে কোরানখানি, ফাতিহা পাঠ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রিজভী বলেন, আজ তারেক রহমান মামলার হুলিয়া নিয়ে দেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আল্লাহ জনগণের দুআ ও আশির্বাদে তারেক রহমানকে আরও শক্তি দেবেন এবং দেশনেত্রী খালেদা জিয়া অচিরেই সুস্থ হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন। ইনশা আল্লাহ।
প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকো’র স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, অবরুদ্ধ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনের দাবিতে যখন বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী খালেদা জিয়া নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন, তখন সেই গুলশানের বিএনপি কার্যালয় অবরুদ্ধ রাখার জন্য চারিদিকে বালুর ট্রাক, কাঠের ট্রাক রাখা হয়েছিল। গোল মরিচের স্প্রে করা হয়েছিল। তখন প্রবাসে থাকা দেশনেত্রীর ছোট সন্তান আরাফাত রহমান কোকো মায়ের প্রতি এই অন্যায়, অবিচার সহ্য করতে পারেননি। এই কষ্টে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। লাশ দেশে আনা হলো গুলশান কার্যালয়ে অবরুদ্ধ মায়ের কাছে। অবরুদ্ধ মায়ের কোলে সন্তানের লাশ দেখে শুধু খালেদার পরিবারই নয়, গোটা জাতি শোকে বিহ্বল হয়ে পড়ে। এত অত্যাচার, অবিচার, অনাচার শুধু খালেদা জিয়াকে দুর্বল করার জন্য।
বিএনপির এ নেতা বলেন, যে সার্চ কমিটি উপস্থাপন করা হয়েছে তাতে প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছারই প্রতিফলন হচ্ছে। আমরা আগেও বলেছিলাম, মুজিব কোটের মানুষরাই এর দায়িত্ব পাবে। এটি শুধু রিহার্সেল চলছে। যেভাবে একতরফাভাবে হুদা কমিশন, রকিব কমিশন গঠন করেছিলেন সেরকম আরেকটি কমিশন গঠন করছেন তারা।
তিনি বলেন, আইন প্রণয়ন করতে হলে সংসদে আইন পাস করতে হয়। কিন্তু কোন সংসদে পাস করবে? এখনতো একদলীয় ও বাকশালি পার্লামেন্ট। সেখানে যে আইন হবে তা প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাতেই হবে। যে সংসদে জনগণের কোনও অংশগ্রহণ নেই, সেই সংসদে আইন পাস হলে তা হবে বাকশালি আইন।










