মোড়েলগঞ্জে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী ফয়জুল করীম বক্তব্য প্রদানকালে পুলিশের বাধা ও অসৌজ্যমূলক আচরণের প্রতিবাদ, ব্যর্থ নির্বাচন কমিশন বাতিল, সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতির প্রবর্তন, বিদ্যমান রাজনৈতিক সংকট উত্তরণে সংসদ ভেঙ্গে দিয়ে জাতীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে আগামী বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) বেলা ২টায় রাজধানীর বাইতুল মোকাররমের উত্তর গেটে প্রতিবাদ সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।
আজ মঙ্গলবার (২৫ জুলাই) বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভায় বৃহস্পতিবার প্রতিবাদ সমাবেশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
দলের মহাসচিব প্রিন্সিপাল মাওলানা ইউনুছ আহমাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম ও ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলাম, সহকারি মহাসচিব মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ ও মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, কেএম আতিকুর রহমান, মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, আলহাজ্ব হারুন অর রশিদ, মাওলানা এবিএম জাকারিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, রাজনৈতিক দলের সভা, সমাবেশ ও সম্মেলন সাংবিধান স্বীকৃত মৌলিক অধিকার। কিন্তু শান্তিপূর্ণ ও একান্ত ঘরোয়া কর্মসূচি পালন করতে না দিয়ে সরকার জনগণের মৌলিক ও রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নিচ্ছে। পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী সারাদেশে থানায় থানায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর তৃণমূল প্রতিনিধি সম্মেলন কার্যক্রম চলছে। একান্ত ঘরোয়া এবং সাংগঠনিক কর্মসূচির মধ্যেও দলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা মুফতী ফয়জুল করীমের সাথে প্রশাসনের চরম স্বৈরাচারী আচরণ সরকারের বাকশালী মনোভাবকে স্মরণ করিয়ে দেয়।
বক্তারা আরও বলেন, সাংগঠনিক অফিসের কার্যক্রমেও সরকার বাধা দিয়ে দেশে পরিকল্পিত সংঘাত সৃষ্টি করতে চায়। সরকার জনবিচ্ছিন্ন হয়ে চরম হতাশায় ভুগছে। এজন্য পুলিশ দিয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচি এবং নেতৃবৃন্দকে হেনস্থা করার চেষ্টা করছে। কিন্তু সরকারকে মনে রাখতে হবে, পুলিশ বা প্রশাসন দিয়ে রাজনৈতিক কর্মকান্ড বানচালের আখের ভাল হয় না।










