দখলকৃত ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজ্জায় ৪দিনের যুদ্ধবিরতির আওতায় বন্দী বিনিময় শুরু হলেও থেমে নেই পশ্চিম তীরে বিশ্ব মানবতার শত্রু ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের বর্বরতা।
রবিবার (২৬ নভেম্বর) ২০জন ফিলিস্তিনিকে গ্রেফতার করে অবৈধ রাষ্ট্রটির সেনারা।
এক বিবৃতিতে ফিলিস্তিন প্রিজনার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে বলা হয়, শনি-রবিবার গভীর রাতে পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুসালেমের বিভিন্ন শহর ও এলাকা থেকে মোট ২০জন ফিলিস্তিনিকে অন্যায়ভাবে আটক করেছে ইহুদিবাদী দখলদার সেনারা। ফলে ৭ অক্টোবর থেকে আটককৃত ফিলিস্তিনির সংখ্যা ৩হাজার ২০০ তে গিয়ে পৌঁছেছে।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, প্রতিদিনের ন্যায় ইহুদিবাদী ইসরাইলী সেনারা এখনো পশ্চিম তীরের বিভিন্ন গ্রাম ও শহরে তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে। আরো আগ থেকে গাজ্জা ধ্বংসযজ্ঞ ও নৃশংসতার সাথে মিল রেখে এখানে তারা নির্বিচারে বেসামরিক ফিলিস্তিনিদের উপর গুলি ও গ্যাস বোমা বর্ষণ এবং গ্রেফতার অভিযান পরিচালনা করে আসছে। ৭অক্টোবর থেকে যার মাত্রা আরো বৃদ্ধি পায়।
উল্লেখ্য, শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) কাতারের মধ্যস্থতায় ফিলিস্তিন স্বাধীনতাকামীদের নেতৃত্ব দেওয়া ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের শর্ত মেনে ৪দিনের যুদ্ধবিরতিতে যায় ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইল।
যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে এখন পর্যন্ত ৭৮ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দিয়েছে অবৈধ রাষ্ট্রটি। বিপরীতে ৪১জন ভিনদেশী ও ইসরাইলী নাগরিককে মুক্তি দেয় ফিলিস্তিন ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস।
৪দিনের এই সাময়িক যুদ্ধবিরতির পূর্বে গাজ্জা গণহত্যার অংশ হিসেবে ৪৬দিনে মোট ১৪হাজার ৮৫৪ জন ফিলিস্তিনিকে নির্মমভাবে হত্যা করে বিশ্ব মানবতার শত্রু অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইল। যার মধ্যে ৬হাজার ১৫০জন শিশু ও ৪হাজারের অধিক নারীও অন্তর্ভুক্ত।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর











