spot_img

দেশের প্রতিটি সংগ্রাম ও অর্জনে শিল্পীদের অবদান রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের প্রতিটি সংগ্রাম ও অর্জনে এ দেশের শিল্পী সমাজের অবদান রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রবিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বৈচিত্র্যময় ও বহুমাত্রিক জীবন নিয়ে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব: মহাজীবনপট’ নামে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ঘাতকরা বঙ্গবন্ধুকে আমাদের মাঝ থেকে কেড়ে নিয়েছিল। সেই জন্য ২১ বছর এই জাতির জীবন থেকে হারিয়ে গেছে। আর এই ২১ বছর একটা চেষ্টাই করা হয়েছিল যেন বঙ্গবন্ধুর নাম না থাকে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব নামটাই মুছে ফেলা…। সেটা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস হোক আর বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস হোক, সবকিছু থেকেই তাকে সম্পূর্ণভাবে মুছে ফেলার একটি চেষ্টা হয়েছে। পাকিস্তানিরা যেমন করেছে, পঁচাত্তরের পর যারা স্বাধীনতাবিরোধী তারাও করেছেন। কিন্তু আমাদের যারা শিল্পী-সাহিত্যিক আছেন, তারা তাদের লেখনীর মধ্য দিয়ে, তাদের তুলির আঁচড়ে, কবিতার মাধ্যমে, গানের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে এই নামটি চিরভাস্বর করে রেখেছেন। সেজন্য সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। কারণ, একটি প্রতিকূল অবস্থার মাঝেও প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে আমাদের শিল্পী, সাহিত্যিক, কবি থেকেই শুরু করে সকলেই কাজ করেছেন। আর আমরা রাজনৈতিকভাবেও চেষ্টা চালিয়েছি। আমাদের দেশের প্রতিটি অর্জনে, সংগ্রামে কিন্তু আমাদের শিল্পীদের অনেক অবদান রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিল্পী বিকাশ স্বাধীনতার সংগ্রাম থেকে শুরু করে সবকিছু চিত্রকর্মের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। আমি এবং আমার ছোট বোন রেহানা সত্যিই বিস্মিত হয়েছি। কারণ, একজন শিল্পী কখনও এমন চিত্রকর্ম আঁকতে পারে না—যদি না তারমধ্যে বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালোবাসা না থাকে, আত্মবিশ্বাস না থাকে! এটি একটি অসাধারণ শিল্পকর্ম।

বঙ্গবন্ধু এ দেশের মাটি থেকে ওঠে আসা একজন নেতা। তার চিত্রকর্মটিও মাটির রঙ দিয়ে আঁকা হয়েছে। শিল্পীর এ কাজের প্রশংসা করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান হাতে লেখা এবং সেটার প্রথম ডিজাইন কিন্তু দেশের শিল্পী যারা ছিলেন তারাই করেছিলেন।’

চিত্রকলার প্রতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আগ্রহ ছিল বলে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এটিকে এমনভাবে প্রদর্শন করা উচিত যেন সকল মানুষ এটি দেখতে পাই। শুধু এয়ারপোর্ট না টুঙ্গিপাড়ায়ও এমন একটা প্রদর্শনীর ব্যবস্থা হবে, এমন একটা জায়গায় করার চেষ্টা করছি… যারা টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে যান তারাও যেন এই চিত্রকর্মটি দেখতে পারেন। তার জন্য একটা স্থান সৃষ্টি করা হবে।

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ