স্বাধীনতার পক্ষে ওলামায়ে কেরামের অন্যতম ভূমিকা ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মহাসচিব মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার পক্ষে ওলামায়ে কেরামের ভূমিকা ছিল অন্যতম। হাজার হাজার উলামায়ে কেরাম শাহাদাত বরণ করেছেন।
বুধবার (২৬ মার্চ) বিকালে কামরাঙ্গীর জামিয়া নুরিয়া ইসলামিয়া মিলনায়তনে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী বলেন, ১৯৪৭ সালে ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠার জন্য ভারত থেকে পাকিস্তান নামে পৃথক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশের স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন করেছিলেন মাওলানা জাফর আহমদ ওসমানী এবং পশ্চিম পাকিস্তানে স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন করেছিলেন হযরত মাওলানা শিব্বির আহমদ উসমানী রহ,। কিন্তু তৎকালীন নেতৃবৃন্দের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে পাকিস্তান নামক ভূখন্ডে ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠা করতে ব্যর্থ হয়েছে। পশ্চিম পাকিস্তানের শাসক যখন পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের উপর জুলুম নির্যাতনের স্টিমরোলার চালানো শুরু করেছে, তখনই দেশ স্বাধীনের জোরদার আওয়াজ উঠেছে। ১৯৭১ এর ২৫ মার্চ এর কালরাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বর্বর হত্যাযজ্ঞ চালাতে শুরু করেছে। শুরু হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ। ২৬ শে মার্চ থেকে ১৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করেছে। হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহ. বলতেন ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ ছিল জালিমদের বিরুদ্ধে মজলুমের সংগ্রাম। স্বাধীনতা পরবর্তী ১৯৮১ সালে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন গঠন করে এদেশে ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি। যতদিন পর্যন্ত দেশে ইনসাফের শাসন ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠা না হবে, ততদিন পর্যন্ত এদেশের মানুষ তাদের প্রকৃত নাগরিক অধিকার ফিরে পাবে না।
তিনি সকলকে খেলাফত আন্দোলনের পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এদেশে ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠায় চেষ্টা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
এতে আরও বক্তব্য রাখেন, দলের নায়েবে আমীর মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা সানাউল্লাহ হাফেজ্জী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা সুলতান মহিউদ্দিন, প্রচার সম্পাদক মাওলানা সাইফুল ইসলাম সুনামগঞ্জী, মুফতি ইলিয়াস মাদারীপুরী, মুফতি জসিম উদ্দিন। উপস্থিত ছিলেন মুফতি কামরুল ইসলাম, মাওলানা তাসলিমুল হাসান মাওলানা রশিদ আহমদ, মাওলানা তানজিমুল হাসান, মাস্টার আতিকুল ইসলাম প্রমুখ।











