গত ৭ অক্টোবর ইসরাইলের অভ্যন্তরে ঢুকে ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের হামলা ছিল সৌদি আরব ও বাইডেন প্রশাসনের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের ফলাফল বলে স্বীকার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
শুক্রবার (২৪ নভেম্বর) ওয়াশিংটন ডিসিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
বাইডেন বলেন, ইসরাইল ও তার অস্তিত্বের অধিকারকে স্বীকৃতির দ্বারা এই অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছিলেন তিনি। যার জন্য সৌদি আরব ও এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশের সাথে খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছিল তার প্রশাসন। আর এই বিষয়টি খুব ভালোভাবেই জানতে পেরেছিল হামাস।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বিশ্বাস করেন, এ হামলার অন্যতম কারণ সৌদি আরব ও ইসরাইলের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন। তবে তার কাছে এ বিষয়ে কোন প্রমাণ নেই বলেও স্বীকার করেছেন তিনি।
গত দেড় মাস ধরে ইসরাইলে হামাসের হামলা ও গাজ্জায় ইসরাইলি বাহিনীর আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই তত্ত্বটিই বারবার উঠে এসেছে যে, তেল আবিব ও রিয়াদের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্ক ঠেকাতেই এ আক্রমণ পরিচালনা করেছিল স্বাধীনতাকামী সংগঠনটি। যদিও এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করেনি হামাস।
হামলার পূর্বে, রিয়াদ ও তেল আবিবের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য মধ্যস্থতার চেষ্টা করছিল ওয়াশিংটন। যা এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় কূটনৈতিক বিজয় হতে পারত বাইডেন প্রশাসনের জন্য। কারণ সৌদি আরব উপসাগরীয়, আরব ও মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রভাবশালী দেশ।
প্রেসিডেন্ট বাইডেনের মতে এই যুগান্তকারী চুক্তির খুব কাছাকাছি ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যে চুক্তির মাধ্যমে ভারতকে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের সাথে রেল ও সমুদ্র পথের মাধ্যমে সংযুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর











