জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়মান সাফাদি ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি মঙ্গলবার রাতে ফোনে কথা বলেছেন। এ সময় তারা আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে একটি “টেকসই যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে” পৌঁছানোর প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করেন।
বুধবার (২৮ অক্টোবর)জর্ডানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। আনাদোলু এজেন্সি এ খবর প্রকাশ করেছে।
জর্ডানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আরাগচি ফোন করলে সাফাদি তার সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় ইরান ও আমেরিকার মধ্যে “উত্তেজনা বন্ধ করা এবং সংকটের একটি সার্বিক সমাধানে পৌঁছানোর প্রচেষ্টা” নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি একটি “টেকসই যুদ্ধবিরতি” চুক্তির বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শান্তি ফিরিয়ে আনা এবং এমন ভিত্তির ওপর দীর্ঘস্থায়ী নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা অর্জনের জন্য যৌথভাবে কাজ করার গুরুত্ব তুলে ধরেন, যা এই অঞ্চলের সব দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে।
তিনি আন্তর্জাতিক আইন ও প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্কের নীতিমালা মেনে চলা, রাষ্ট্রগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ থেকে বিরত থাকা এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে আনার প্রচেষ্টা এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার শর্ত নিয়ে চলমান মতবিরোধের মধ্যেই এই ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। এর জবাবে ইরান ইসরাইল এবং আরব দেশগুলোতে থাকা আমেরিকার সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায়।
গত ১৮ জুন ওয়াশিংটন ও তেহরান একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করে এবং আলোচনা শুরু করে। পরে হরমুজ প্রণালি দিয়ে নৌ চলাচলসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতবিরোধের কারণে সেই আলোচনা ভেঙে যায়। হরমুজ প্রণালি বৈশ্বিক জ্বালানি ও পণ্য সরবরাহের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত নৌপথ।
সূত্র : আনাদোলু এজেন্সি, মিডল ইস্ট মনিটর











