নারীর অধিকার ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী নির্ধারণ ও নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইমারাতে ইসলামিয়া আফগানিস্তানের সৎকাজের আদেশ, অসৎকাজে নিষেধ ও অভিযোগ শুনানি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাওলানা সাইফুল ইসলাম খাইবার। একই সঙ্গে তিনি “বিদেশি রাজনৈতিক এজেন্ডা ও চাপিয়ে দেওয়া মানদণ্ড” প্রত্যাখ্যান করেছেন।
মাওলানা খাইবার বলেন, গত পাঁচ বছরে আফগানিস্তানে নারীর অধিকার ও মানবাধিকারের ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা হয়েছে। তিনি এসব পরিবর্তনকে দেশটির ইতিহাসে নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, ইসলামি আইনের অধীনে নারীর অধিকারের মধ্যে সম্পত্তির মালিকানা, উত্তরাধিকার, দেনমোহর, ভরণপোষণ, জোরপূর্বক বিয়ে থেকে সুরক্ষা, জীবনসঙ্গী নির্বাচনের অধিকার এবং ব্যবসা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার অধিকার রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নারীর অধিকারকে রাজনৈতিক বিরোধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয় কিংবা একে প্রচারাভিযানে সীমাবদ্ধ করা উচিত নয়। যারা নিজেদের নারীর অধিকারের রক্ষক হিসেবে পরিচয় দেন, তাদের বাস্তব পদক্ষেপের মাধ্যমে নিজেদের অঙ্গীকারের প্রমাণ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
মাওলানা খাইবার বলেন, নারী ও অন্যান্য আফগান নাগরিকের অধিকারকে রাজনৈতিক দরকষাকষির বিষয় করা উচিত নয়। মানবাধিকার নিয়ে যারা কাজ করেন, তাদের বাস্তবভিত্তিক ও ন্যায়সংগত দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
নাগরিকদের অধিকার নিয়ে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম সম্পর্কে প্রকাশিত সমালোচনা ও প্রতিবেদনকে রাজনৈতিক ও গোয়েন্দাগত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেন খাইবার।
এর এক দিন আগে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক বৈঠকে ব্রিটেন, আমেরিকা এবং জাতিসংঘের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা আফগান নারী ও মেয়েদের দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে আরও বেশি ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছিলেন। একই সঙ্গে তারা নারীদের অধিকার সীমিত করা এবং তাদের জনজীবন থেকে বাদ দেওয়ার সমালোচনা করেন।
সূত্র : আরিয়ানা নিউজ











