বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা: শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘৫ আগস্টের পর যারা ধৈর্য ধরতে পারেন নাই, বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছেন আল্লার কসম দেশ তাদের হাতে নিরাপদ নয়। তারা ক্ষমতায় যাওয়ার পরে আরো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়বে।’
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে নোয়াখালী জিলা স্কুল মাঠে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, “বিষয়টি দেশের মানুষ বুঝতে পেরেছে। তাই সারা বাংলায় এখন বাঁধভাঙা জোয়ার শুরু হয়েছে ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে। শুধু নোয়াখালীতে নয়, সারা বাংলায় জনগণ তা দেখতে পাচ্ছে।”
জামায়াত আমীর বলেন, “বিগত আওয়ামী লীগ সরকার আমাদের ১১ জন সিনিয়র নেতাকে ঠান্ডা মাথায় খুন করেছে, আমাদের হাজার হাজার কর্মীকে মিথ্যা মামলা দিয়েছে, গুম করেছে অনেক নেতা-কর্মীকে। আমাদের নিবন্ধন বাতিল ও দলকে নিষিদ্ধ করেছে। আমরা বলেছি, মিথ্যা মামলা বাণিজ্য ও প্রতিশোধ গ্রহণ করব না। আমরা আমাদের ওয়াদা রক্ষা করেছি এবং আল্লাহর ওপর আস্থা রেখেছি। মা-বোনেরা বুঝতে পেরেছে, তাদের জীবন ও ইজ্জত কার কাছে নিরাপদ। এ জন্য তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”
নোয়াখালী জেলা জামায়াতের আমীর ইসহাক খন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, জাতীয় সংসদের নোয়াখালী-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা বোরহান উদ্দিন, জেলা জামায়াতের সাবেক আমির মাওলানা আলাউদ্দিন, কেন্দ্রীয় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি আতিকুর রহমান, নোয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা সাইফুল্লাহ, নোয়াখালী-২ আসনে ১১ দলীয় জোটের এনসিপির প্রার্থী সুলতান মো. জাকারিয়া, নোয়াখালী-৫ জামায়াত প্রার্থী অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেন, নোয়াখালী-৬ আসনে এনসিপির প্রার্থী আব্দুল হান্নান মাসউদ, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক আনিছুর রহমান, কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক আবু সাইয়েদ সুমন, শিবিরের সাবেক নেতা মাহফুজুল হক, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম প্রমুখ।











