পাকিস্তানের বন্যাকে নজিরবিহীন অ্যাখ্যা দিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। দেশটির বন্যা পরিস্থিতি পরিদর্শনে আগামী সপ্তাহে তিনি পাকিস্তানে যাবেন বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘ কর্মকর্তারা। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় পাকিস্তানের সিন্ধ, খাইবার পাখতুনখোয়া, বেলুচিস্তান, পাঞ্জাবসহ বিভিন্ন প্রদেশে বিলীন হয়ে গেছে অসংখ্য ঘরবাড়ি, বিভিন্ন অবকাঠামো ও বিস্তৃত ফসলের মাঠ। মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ১০০ ছাড়িয়েছে। এদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাই তিন শতাধিক বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ। পানিবন্দি হয়ে আছেন কয়েক লাখ মানুষ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, মঙ্গলবার (৩০ আগস্ট) পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলে পর্যটকসহ আটকেপড়া প্রায় ৩০০ মানুষকে হেলিকপ্টারে করে অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়। একই দিন উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল থেকে অন্তত ৫০ হাজার মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে। দুর্গম এলাকাগুলোতে হেলিকপ্টার ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় ত্রাণসহায়তায় কাজ করছে দেশটির সেনাবাহিনী।
এদিকে সোমবার (২৯ আগস্ট) রাতে বন্যার্তদের সহায়তায় অর্থ সংগ্রহের জন্য তিন ঘণ্টাব্যাপী এক টেলিভিশন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এ সময় তিনি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে দর্শকদের প্রতি আহ্বান জানান।
ইমরান খান বলেন, পাকিস্তানে ভয়াবহ বিপর্যয় চলছে। এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পাকিস্তানের মানুষকে যুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি এরই মধ্যে অনেক ফোন পেয়েছি। তারা সবাই এ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে চায় ও অর্থসহায়তা করতে চায়।
পাকিস্তানের বন্যাদুর্গতদের সহায়তায় দেশটিকে তিন কোটি ডলার দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে আমেরিকা। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন ও সহায়তাবিষয়ক সংস্থা ইউএসএইড এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়।











