ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতি রেজাউল করীম বলেছেন, ওলামায়ে কেরাম ঐক্যবদ্ধ হলে এদেশে ইসলামই হবে নিয়ামক শক্তি। দেশের সার্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। দেশ নিয়ে সচেতন ওলামায়ে কেরামকে ভাবতে হবে এবং হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে সকলকে ইসলাম, দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে হবে। ইসলামকে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিষ্ঠা করার আন্দোলনে অংশগ্রহণ করতে হবে। প্রতিহিংসার রাজনীতি কারো কাম্য হতে পারে না। ওলামায়ে কেরামকে এক প্লাটফর্মে আসা এখন সময়ের দাবি।
শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় ওলামা-মাশায়েখ আইমা পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগরীর উদ্যোগে আয়োজিত ওলামা মাশায়েখ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর বলেন, দেশে ইসলামী শিক্ষা সংকোচন নীতি অবলম্বন করছে সরকার। ইসলামী শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার জন্য ওলামায়ে কেরামের নেতৃত্বে বৃহৎ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, সিলেবাসে ডারউইনের নাস্তিক্যবাদী মতবাদ অন্তর্ভূক্ত করে নতুন প্রজন্মকে নাস্তিক্যবাদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
জাতীয় ওলামা-মাশায়েখ আইমা পরিষদের চট্টগ্রাম নগানগর সভাপতি, মাওলানা মনসুরুল হক জিহাদীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শেখ আমজাদ হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওলামা সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, হাটহাজারী মাদরাসার মুহাদ্দিস মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী, চট্টগ্রাম দারুল মারিফ মাদ্রাসার সহকারী পরিচালক মাওলানা ফুরকানুল্লাহ খলিল, ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, চট্টগ্রাম মোজাহের উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা লোকমান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ডক্টর হুমায়ুন কবির খালভী, মাওলানা ড. বেলাল নূর আজিজি, চট্টগ্রাম জামিয়া ইসলামিয়া বাইতুল করিমের শাইখুল হাদিস মাওলানা হাফেজ ফরিদ আহমদ আনসারী, জামিয়া বাইতুল করিমের পরিচালক মাওলানা হাসান মুরাদাবাদী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগরের সভাপতি জান্নাতুল ইসলাম, বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি আলহাজ্ব আবুল কাশেম মাতব্বর, চট্টগ্রাম মহানগর ইসলামী আন্দোলনের সেক্রেটারি আলহাজ্ব মোহাম্মদ আল ইকবাল প্রমুখ।










