পদ্মায় পানি কমতে শুরু করেছে। রাত-দিন জেলেরা নদীতে পড়ে থাকলেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত মাছের দেখা। কারও জালে দুই-একটা ছোট বোয়াল, কাতল, পাঙাস ও ইলিশ ধরা পড়ছে। কিন্তু তাও পরিমাণে খুবই কম। যে পরিমাণ মাছ ধরা পড়ছে তাতে নৌকা-জালের খরচও উঠছে না। এ নিয়ে চরম হতাশ হয়ে অনেকে গুটিয়ে রেখেছেন জাল। রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার অন্তরমোড়, দেবগ্রাম, দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় এমন চিত্র দেখা গেছে।
সোমবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাট সংলগ্ন সাত্তার মেম্বারপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, রাতভর জেলেরা মাছ ধরে নৌকা নিয়ে ঘাটে ফিরছেন।
রাতের ধরা মাছ তারা বিক্রির জন্য নিয়ে আসছেন। সারারাত জাল টেনে ধরা মাছ দেখে তারা হতাশ। কারণ এ মাছ বিক্রি করে তাদের হাজিরাই উঠছে না। অনেকেই নৌকা পাড়ে রেখে জাল মেরামতের কাজ করছেন।
অন্তরমোড়ের জেলে নয়ন হালদার জানান, এবার পদ্মায় ইলিশ নেই বললেই চলে। সারারাত নদীতে জাল ফেলে মাছের অপেক্ষায় থাকতে হয়। যা মাছ জালে আসছে তা দিয়ে নৌকার খরচই উঠছে না। তাই জেলেদের মধ্যে অনেকেই মনের দুঃখে নদীতে মাছ ধরতে যাচ্ছেন না। বেকার ও অলস সময় কাটাচ্ছেন।
দৌলতদিয়ার জেলে শুকুমার দাস গণমাধ্যমে বলেন, আমাদের একটি নৌকায় মাছ ধরতে পাঁচ-ছয় জন লোক লাগে। সারাদিন বা সারারাত মাছ ধরে নৌকা, জাল ও মেশিনের ইঞ্জিনের ডিজেল খরচ মেটানো শেষে জেলেদের ১০০ থেকে ১৫০ টাকা হাজিরাও হয় না। বাজারে চাল-ডালসহ দ্রব্যমূল্যের যে হারে দাম বেড়েছে তাতে এ টাকা দিয়ে আমাদের সংসার চলছে না।











