পবিত্র আল আকসা মসজিদের উপর পূর্নাঙ্গ অধিকার শুধুমাত্র মুসলিমদের রয়েছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনের খ্রিষ্টানদের গির্জা বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের কমিটি। এর পূর্বেও এমন দাবি জানিয়েছিল তারা। এছাড়াও “জেরুসালেমকে একটি জোরপূর্বক দখলকৃত ফিলিস্তিনি শহর” বলেও মন্তব্য করেছেন কমিটির প্রধান রামজি খৌরী।
রামজি খৌরী আল আকসা মসজিদকে রক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার কাছে তাদের প্রচেষ্টা আরো বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন যেটি “বর্তমানে তার বৈধতা, ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় মর্যাদার দিক থেকে অস্তিত্ব সংকটের সম্মুখীন হয়েছে।”
তিনি বলেন, “আল-আকসা মসজিদ হল ইবাদত, শান্তি ও স্থিতিশীলতাপূর্ণ একটি স্থান। তবে এটি দখলদার ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ ও ইহুদি বসতি স্থাপনকারীদের দ্বারা প্রতিনিয়ত অপবিত্র করা হচ্ছে। তারা ইতিমধ্যে এই স্থানটিকে জুলুম ও ধরপাকড়ের স্থানে পরিণত করেছে।”
তিনি আরো বলেন, “অবৈধ দখলদারিত্বের মাধ্যমে জেরুসালেম শহর ও আশেপাশের এলাকাগুলো একটি সামরিক ঘাঁটিতে পরিণত হয়েছে যেখানে ফিলিস্তিনিদের ধাওয়া ও নির্যাতন করা হচ্ছে।”
জেরুসালেম শহরে অবস্থিত মুসলিম ও খ্রিস্টানদের পবিত্র স্থানগুলো অবমূল্যায়নের পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করে রামজি খৌরী বলেন, “এটি ঘোরতরভাবে সমস্ত আন্তর্জাতিক আইন ও মানবিক নিয়ম নীতি লঙ্ঘন করে।”
তিনি জোর দিয়ে বলেন, “এটি মুসলিমদের জন্য বিতর্কহীন ও খাটি অধিকার। যা বিভক্ত অথবা বিভাজন করা যায় না।”
তিনি সতর্ক করে বলেন, মসজিদের ভেতর অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের অনুপ্রবেশ ও সেখানে তালমুদিক আচার অনুষ্ঠান পালন করা আল আকসাকে ইহুদিদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার জন্য একটি প্রাথমিক পদক্ষেপ হতে পারে।
এজন্য বিশ্বের সমস্ত গির্জা ও বিশ্বাসীদের অবশ্যই ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কঠোর নিন্দা জানাতে হবে। এছাড়াও আল আকসা মসজিদে ইহুদি সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য ইসরাইলের দাম্ভিকতা ও পরিকল্পনা বাতিলের জন্য দেশটির সরকারের উপর চাপ প্রয়োগ করতে হবে।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর











