spot_img
spot_img

‘লাভ জিহাদ’ ও ‘ল্যান্ড জিহাদ’ নিয়ে কঠোর পদক্ষেপের ঘোষণা শুভেন্দুর

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আগামী ছয় মাসের মধ্যে অভিন্ন দেওয়ানি আইন (ইউসিসি) চালুর ঘোষণা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সময়ের মধ্যে তাঁর ভাষায় ‘লাভ জিহাদ’ ও ‘ল্যান্ড জিহাদ’ ঠেকাতে কঠোর আইন করারও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, উত্তরাখণ্ড ও গুজরাটের অনুসরণে পশ্চিমবঙ্গেও অভিন্ন দেওয়ানি আইন কার্যকর করা হবে। এরপর ‘লাভ জিহাদ’, ‘ল্যান্ড জিহাদ’ ও ধর্মান্তর ঠেকাতে কঠোর আইন করা হবে।

রোববার (৪ অক্টোবর) কলকাতায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন শুভেন্দু অধিকারী।

শুভেন্দু বলেন, তাঁর সরকার সংবিধান অনুযায়ী পরিচালিত হবে। ভারতীয় সংস্কৃতি, সনাতনী ঐতিহ্য, মন্দির, মঠ ও ঐতিহ্যের ওপর কোনো ধরনের আক্রমণ বরদাশত করা হবে না। একই সঙ্গে ‘দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড’ ঠেকাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

পশ্চিমবঙ্গ সরকার ইতোমধ্যে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে। কমিটিটি রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি আইনের খসড়া পর্যালোচনা করছে। প্রস্তাবিত আইনে বিয়ে, বিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার ও দত্তক গ্রহণের মতো বিষয়ে সব সম্প্রদায়ের জন্য অভিন্ন দেওয়ানি আইন প্রণয়নের কথা রয়েছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির অন্যতম প্রধান নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি ছিল ইউসিসি বাস্তবায়ন।

ধর্মীয় পর্যটন প্রকল্প নিয়েও কথা বলেন অধিকারী। তিনি জানান, আগামী দুই বছরের মধ্যে এ প্রকল্প বাস্তবায়নে ১ হাজার কোটি রুপি বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে জনগণের পরামর্শ ও সহযোগিতাও চান তিনি।

পশ্চিমবঙ্গের আগের তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের সমালোচনা করে অধিকারী বলেন, তাদের পতনের পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকলেও হিন্দুদের ধর্মীয় অনুভূতি, সংগঠন, দেবতা ও ঐতিহ্যকে বারবার আঘাত করার বিষয়টি ছিল অন্যতম প্রধান কারণ।

শুভেন্দু আরও জানান, আগামী নভেম্বরে কলকাতার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে ২০ হাজার মানুষের অংশগ্রহণে হনুমান চালিসা পাঠ এবং ২৯ ডিসেম্বর ১০ লাখ মানুষের অংশগ্রহণে গীতা পাঠের আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি আগামী বছরের গঙ্গাসাগর মেলার জন্য আন্তর্জাতিক মানের সুযোগ-সুবিধা তৈরির প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।

সূত্র: টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া, পিটিআই

spot_img
spot_img
spot_img

সর্বশেষ