বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ঐকমত্যের সরকার গঠনের সম্ভাবনা নাকচ করে দিলে বলেছেন, বিএনপির এককভাবেই সরকার গঠনের সক্ষমতা রয়েছে।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিএনপির এ অবস্থানের কথা জানান তারেক রহমান।
আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ধরা হচ্ছে জামায়াতে ইসলামীকে। দলটি আগে নিষিদ্ধ থাকলেও এখন আবার রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে দেখা দিচ্ছে। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি ও জামায়াত জোট সরকার পরিচালনা করেছিল। জামায়াত জানিয়েছে, তারা দেশকে স্থিতিশীল করতে একটি ঐক্য সরকার গঠনের মাধ্যমে আবারও অংশীদারিত্বে আগ্রহী।
রয়টার্সকে জোট সরকার গঠনের বিষয়ে পাল্টা প্রশ্ন করেছেন তারেক রহমান, ‘আমি কীভাবে আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের সঙ্গে সরকার গঠন করব? তাহলে বিরোধীদলই বা কে হবে?’
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমি জানি না তারা কতটি আসন পাবে। তবে যদি তারা বিরোধীদলে থাকে, আমি আশা করি তারা একটি ভালো বিরোধীদল হবে।’
বিএনপি সংসদের ৩০০টি আসনের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আসনে জয়লাভে আত্মবিশ্বাসী। দলটি ২৯২টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে, আর বাকি আসনগুলোতে তাদের মিত্ররা প্রার্থী দিয়েছে।
নির্বাচিত হলে বাংলাদেশ ভারতের দিক থেকে সরে চীনের দিকে ঝুঁকবে কি না—এমন প্রশ্নে তারেক রহমান বলেন, প্রায় ১৭ কোটি ৫০ লাখ মানুষের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সক্ষম এমন অংশীদার প্রয়োজন বাংলাদেশের।
তিনি বলেন, আমরা যদি সরকারে আসি, আমাদের তরুণদের জন্য চাকরি দিতে হবে। দেশে ব্যবসা আনতে হবে, যাতে কর্মসংস্থান তৈরি হয় এবং মানুষ ভালো জীবন পায়। সুতরাং বাংলাদেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে যে দেশ বা পক্ষ আমাদের জনগণ ও দেশের জন্য উপযোগী প্রস্তাব দেবে। তাদের সঙ্গেই আমাদের বন্ধুত্ব হবে—কোনো নির্দিষ্ট দেশের সঙ্গে নয়।
শেখ হাসিনার সন্তানরা বিদেশ থেকে ফিরে রাজনীতিতে অংশ নিতে পারবেন কি না—এ প্রশ্নে তিনি বলেন, যদি কেউ জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হন, যদি মানুষ তাকে স্বাগত জানায়, তাহলে রাজনীতি করার অধিকার সবারই আছে।











