ইরানের জাতীয় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী শামখানি বলেছেন, আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি এবং দেশটির জনগণের দুর্ভোগ দুর্দশার জন্য আমেরিকাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা উচিত। গত দুই দশক ধরে আমেরিকা এবং তার পশ্চিমা মিত্ররা আফগানিস্তানে যে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে এবং ক্ষয়ক্ষতি করেছে ন্যূনতম দায়িত্ব হিসেবে তার ক্ষতিপূরণ তাদেরকে দিতে হবে।
বুধবার (১০ নভেম্বর) সকালে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত আফগান বিষয়ক আঞ্চলিক এক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
ইরানের এ কর্মকর্তা বলেন, ২০ বছর আগে আমেরিকা তালেবান এবং আল-কায়েদার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের নামে আফগানিস্তানে আগ্রাসন চালায়। তখন তারা দাবি করেছিল সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী লড়াইয়ের অংশ হিসেবে তারা আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান চালিয়েছে। সেসময় আমেরিকা বলেছিল, তারা আফগানিস্তানকে রোল মডেল এবং অনুপ্রেরণার উৎসে পরিণত করবে। কিন্তু তারা তা না করে বরং আফগানিস্তানের পরিস্থিতি আগের চেয়ে আরো খারাপ করেছে।
তিনি বলেন, মার্কিন দখলদারিত্বের পর আফগান জনগণের দুঃখ-দুর্দশা এবং দারিদ্র্য বেড়েছে। সেই সাথে দেশটিতে বেড়েছে মাদকের চাষ এবং চোরাচালান। অন্যদিকে, আফগানিস্তানের বিরাট সংখ্যক মানুষ মার্কিন বিমান হামলায় নিহত হয়েছে। মার্কিন বিমান হামলা থেকে আফগানিস্তানের বিয়ের অনুষ্ঠান কিংবা দা ফোন অনুষ্ঠান কোনকিছুই বাদ যায়নি।
আলী শামখানি বলেন, আফগানিস্তানে আমেরিকার সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা হলো সামরিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ব্যর্থতা। আফগানিস্তানে বহু ক্ষয়ক্ষতি ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে শেষমেশ আমেরিকা সেখান থেকে পালাতে বাধ্য হয়েছে।











