ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় মসজিদ, কবরস্থান ও ঈদগাহের সম্পত্তি বেআইনি জবরদখলের হাত থেকে রক্ষা করতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিতে ‘সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন’-এর পক্ষ থেকে রাজ্যটির ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যানকে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৫ মার্চ) ওয়াকফ বোর্ডে স্মারকলিপি প্রদান শেষে সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের রাজ্য সম্পাদক মাওলানা কামরুজ্জামান জানান, ওয়াকফ বোর্ড রাজ্যে বহু জায়গায় মসজিদ, ঈদগাহ ও কবরস্থানের সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণে সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে।
তিনি বলেন, ওয়াকফ সম্পত্তি জবরদখলের সংবাদ ও অভিযোগ বোর্ডে আসার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বোর্ড প্রতিনিধিদলকে সংশ্লিষ্ট স্থান পরিদর্শনে পাঠাতে হবে এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি সমস্ত ঘটনা গণমাধ্যমকে জানাতে হবে। এক্ষেত্রে রাজ্যের মুসলিম সংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে বলে তিনি ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যানকে আশ্বাস দেন।
তিনি আরও বলেন, ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান একাধিকবার আমাদের দাবিগুলো কার্যকরী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কিন্তু পরবর্তীতে সেই প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছেন। নানাভাবে আমরা জানতে পেরেছি আমাদের দাবিপত্র তিনি কখনোই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর প্রয়োজনটুকুও বোধ করেননি!
সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশন এর পক্ষ থেকে বলা হয়- সর্বত্র ওয়াকফ সম্পত্তির জবরদখল মুক্ত করতে হবে এবং ওয়াকফ সম্পত্তির তথ্য ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে। বিনা খরচে ইমাম মুয়াজ্জিনদের চিকিৎসার ব্যবস্থা ও সন্তানদের উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। মসজিদ, ঈদগাহ ও কবরস্থানের জায়গাগুলো কংক্রিটের ঢালাই দিয়ে সংরক্ষিত করতে হবে। ওয়াকফ সম্পত্তির অবৈধ হস্তান্তর ও জবরদখল বিষয়ে মহামান্য উচ্চ আদালতের কর্মরত বিচারপতির নেতৃত্বে কমিশন গঠন করে দ্রুত তদন্তে করতে হবে।
এ সময় মাওলানা কামরুজ্জামানের সঙ্গে ছিলেন সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের সহ-সভাপতি খলিল মল্লিক ও গোলাম রহমান, মাওলানা জরিফুল ইসলাম, হাফেজ আব্দুল হাকিম, মাওলানা ফারুক খান প্রমুখ।
সূত্র: পার্সটুডে











