ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী বলেছেন, কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে মূর্তির পায়ের নিচে পবিত্র কুরআন রেখে যারা ঘোলাপানিতে মাছ শিকার করতে চায়, তাদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা সরকারের দায়িত্ব। কিন্তু তা না করে প্রধানমন্ত্রী নিজেই আগে একটি পক্ষ অবলম্বন করে বিবৃতি দিয়ে দোষীদের আড়াল করার প্রবণতা লক্ষ্য করছি। কুরআন অবমাননার কারণে বিশ্বের দুইশ কোটি মানুষের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে।
আজ শনিবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে কুমিল্লায় পবিত্র কুরআন অবমাননাকারীদের বিচার এবং দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণের দাবিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের উদ্যোগে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, উগ্র সম্প্রদায়ের কেউ দেশে ধর্মীয় দাঙ্গা হাঙ্গামা বাধানোর চক্রান্ত করতে তা করে থাকতে পারে। ৯২ ভাগ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় যে নিরাপত্তা ও অতিমাত্রায় নাগরিক সুবিধা ভোগ করছে বিশ্বে এমন দৃষ্টান্ত নজিরবিহীন। সরকারের কতিপয় এমপি-মন্ত্রীর বক্তব্য দেশে নতুন সঙ্কট সৃষ্টি করছে। দেশের সম্প্রীতি বিনষ্ট করছে। সরকারের মন্ত্রী ড. মুরাদ হাসান ৭২ এর সংবিধানে ফিরে গিয়ে রাষ্ট্রধর্ম তুলে দিবে এমন বক্তব্য সংবিধানের পরিপন্থি। সংবিধান লঙ্ঘণের দায়ে মন্ত্রী মুরাদ হাসানকে বহিস্কার করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, কোনও প্রকার কারণ ছাড়াই বার বার নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির কারণে জনজীবন চরম দূর্বিষহ হয়ে উঠছে। সরকার সিন্ডিকেটের কাছে মাথানত করেছে। তিনি অবিলম্বে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ করার দাবি জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম প্রমুখ।











